শিরোনাম :
শেয়ার হোল্ডারের অনিয়ম ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন

শেয়ার হোল্ডারের অনিয়ম ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন

স্টাফ রিপোর্টার-বাঘা: রাজশাহীর বাঘায় গ্রীণলাইট বায়োগ্যাস লিঃ এর শেয়ার হোল্ডার মোফিজুল ইসলাম দিলদার এর বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ (শুক্রবার) দুপুর ১২টায় বাঘা প্রেসক্লাব কার্য়ালয়ে এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। গ্রীণলাইট বায়োগ্যাস লিঃ এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠকালে গ্রীণলাইট বায়োগ্যাস লিঃ এর ব্যবস্থপনা পরিচালক কামরুল হাসান রিপন অভিযোগ করেন, মোফিজুল ইসলাম (দিলদার) কোম্পানির শেয়ার হোল্ডার হিসেবে গুরুত্বপুর্ন দায়িত্বে ছিলেন।

ওই সময় উপজেলার খাঁয়েরহাট গ্রামের সার ডিলার জুয়েল ও ব্যাংগাড়ী এলাকার আব্দুল মান্নান সহ বিভিন্ন গ্রাহক ও ডিলারের নিকট থেকে নগদ ২ লক্ষ টাকা তুলে নিয়ে আত্মসাত করা সহ ল্যাবের পিএইচপি মিটার,ফডো মিটার,প্রজেক্টর, ল্যাপটপসহ মূল্যবান সরঞ্জমাদি সরিয়ে ফেলে।

বিষয়টি অস্বীকার করলে কোম্পানির শেয়ার হোল্ডারদের নিয়ে জরুরি মিটিং করে তাকে বহিস্কার করা হয়। এর পরে তিনি শেয়ার হোল্ডার ও কর্মচারিদের বিভিন্ন ভাবে হুমকি প্রদান করেন। এক পর্যায়ে কোম্পানির ব্যবস্থপনা পরিচালকের কাছে ডেসটিনির সাংবাদিক পরিচয়ে ১০ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করেন বলে সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করা হয়।

এছাড়াও কোম্পানি ও এমডির সুনাম ক্ষুন্ন করার মানষিকতায় চলতি মার্চ মাসের ৪ তারিখে মফিজুল ইসলাম তার ফেসবুক আইডিতে বিভিন্ন জনের নাম ব্যবহার করে ব্যবস্থপনা পরিচালককে প্রতারক হিসেবে মন্তব্য করে পোষ্ট দেন।

অভিযোগের বিষয়গুলো জানার পর বুধবার বাঘা থানায় অভিযোগ দায়ের করেন কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক কামরুল হাসান রিপন। সংবাদ সম্মেলনে মোফিজুল ইসলাম দিলদারের বিরুদ্ধে সাংবাদিকতার পরিচয়ে চাঁদাবাজির অভিযোগও করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন গ্রীণলাইট বায়োগ্যাস লিঃ কোম্পানীর পরিচালক মোহা: নুরুজ্জামান, পরিচালক মো: সাইফুল ইসলাম , শেয়ার হোল্ডার মো: মিজানুর রহমান ও ফারহাদুজ্জামান ।

এ বিষয়ে মোফিজুল ইসলাম দিলদার বলেন, আমার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ সত্য নয়। তিনি দাবি করেন, আমিই ২লক্ষ টাকা পাবো কোম্পানির ব্যবস্থপনা পরিচালক কামরুল হাসান রিপনের কাছে।

এই টাকা না দেওয়ায় এর আগে থানায় অভিযোগ করেছি। পরে থানায় বসে পরিচালক নুরুজ্জামান আমার টাকা পরিষধের অঙ্গিকার করেন। পরে এই টাকা না দেয়ার জন্য আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন অভিযোগ উপস্থাপন করেছেন।

তিনি আরও বলেন, আমার কাছে কোম্পানির ল্যাবের কোন চাবি ছিলনা। রিপন ও আরেক পরিচালক নুরুজ্জামানের কাছে ল্যাবের চাবি ছিল। টাকা না দেওয়ার অজুহাতে নিজেরাই ল্যাবের সরঞ্জমাদি সরিয়ে আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছেন।

বরং বিভিন্ন অপকর্ম,প্রতারনা ও টাকা আত্বসাতের অভিযোগে এমডি কামরুল হাসানের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানা ও কোর্টে বর্তমানে একাধিক মামলা চলমান রয়েছে।

মতিহার বার্তা ডট কম ০৮  মার্চ ২০১৯

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *