শিরোনাম :
গোদাগাড়ীতে ১০লাখ টাকার হেরোইন-সহ ৩জন মাদক কারবারী গ্রেফতার নগরীর তালাইমারীতে গাঁজা কারকারী মল্লিক গ্রেফতার রাজশাহীতে প্রস্তাবিত বঙ্গবন্ধু রিভার সিটি নিয়ে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত রুয়েটকে স্মার্ট বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে রুপান্তর করতে হলে সকল ক্ষেত্রে সুশাসন প্রতিষ্ঠা করা জরুরী চিপস্ খাওয়ানোর প্রলোভন দেখিয়ে ৬ বছরের নাবালিকাকে ধর্ষণ চেষ্টা: আসামি নাইম গ্রেফতার এইচএসসি পরীক্ষা উপলক্ষ্যে আরএমপি’র নোটিশ জারি তানোরে ক্লুলেস হত্যা মামলার পলাতক আসামি ইকবাল গ্রেফতার কৃষিতে বির্পযয়ের আশঙ্কা তানোরে চোরাপথে আশা মানহীন সারে বাজার সয়লাব বাঘায় বাবুল হত্যা মামলায় চেয়ারম্যানসহ ৭ জনকে রিমান্ড শেষে কারাগারে প্রেরণ সিংড়ায় ক্যান্সারে আক্রান্ত ২২ ব্যক্তির মাঝে চেক বিতরণ
রাজশাহী নগরীতে ইংরেজি লেখা সাইনবোর্ডের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা

রাজশাহী নগরীতে ইংরেজি লেখা সাইনবোর্ডের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা

রাজশাহী নগরীতে ইংরেজি লেখা সাইনবোর্ডের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা
রাজশাহী নগরীতে ইংরেজি লেখা সাইনবোর্ডের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা

স্টাফ রিপোর্টার: বাংলার চেয়ে ইংরেজিতে সাইনবোর্ড লেখায় আগ্রহী বেশি মালিকরা। নগরীতে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোতে বাংলার চেয়ে ইংরেজিতে সাইনবোর্ড লেখার প্রবণতা বেশি। বাংলায় সাইনবোর্ড লেখার উচ্চ আদালতের বাধ্যবাধকতা থাকলেও সাত বছরেও তা বাস্তবায়ন সম্ভব হয়নি। কিছু কিছু প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে- তাদের পণ্যগুলো ব্রান্ডের, বিদেশেও শোরুম রয়েছে-তাই ইংরেজির ব্যবহার। এছাড়া স্থানীয় ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোর নামও ইংরেজি অক্ষরে লেখা। তবে সে ক্ষেত্রে বাংলা পাশাপাশি ইংরেজিতে লেখা সাইনবোর্ড ব্যবহার করতে হবে। অনেকেই জানেন না আদালতের এ রকম আদেশের কথা।

জানা গেছে, ২০১৪ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ এক আদেশে দেশের সব সাইনবোর্ড, বিলবোর্ড, ব্যানার, গাড়ির নম্বর প্লেট, সরকারি দফতরের নামফলক এবং গণমাধ্যমে ইংরেজি বিজ্ঞাপন ও মিশ্র ভাষার ব্যবহার বন্ধ করতে সরকারকে ব্যবস্থা নিতে বলেন। সংবিধানের ৩ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রভাষা বাংলা। এ ছাড়া বাংলা ভাষা প্রচলন আইন ১৯৮৭-এর ৩ ধারায়ও সরকারি অফিস, আদালত, আধা সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে চিঠিপত্র, আইন-আদালতের সওয়াল-জবাব এবং অন্যান্য কাজে বাংলার ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

এবিষয়ে রাজশাহী সিটি করপোরেশনের প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা আবু সালেহ নূর-ই সাইদ জানান, ‘আমরা ব্যবসায়ীদের নোটিশ করেছি; সাত দিনের মধ্যে অপসারণের জন্য। সেই সময় আগামি ১০ ফেব্রুয়ারি শেষ হবে। এই সময়ে মধ্যে কেউ ইংরেজি সাইনবোর্ড না অপসারণ করলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থাগ্রহণ করা হবে।’

প্রসঙ্গত, মহান ভাষা আন্দোলনের মাস ফেব্রুয়ারির প্রথম দিন থেকে চট্টগ্রাম নগরীতে ইংরেজিতে লেখা প্রতিষ্ঠানের নাম ফলকের বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করেছে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন।

মতিহার বার্তা / ইএবি

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply