শিরোনাম :
ভলকানাইজিং দোকান পেয়ে ঘুরে দাঁড়ানোর স্বপ্ন দেখছে বিশাল রাবির ‘এ’ ইউনিটের সাবজেক্ট চয়েস শুরু পেটের ‘মৌচাক’ ভাঙা হবে কী ভাবে, চিন্তায় চিকিৎসকেরা আধ কিলোমিটার উঁচু, তিন কিলোমিটার পরিধি! ঝুলন্ত শহর তৈরি হচ্ছে দুবাইয়ে? প্রায়ই মাথা যন্ত্রণায় ভোগেন? ঘরোয়া উপায়ে কী ভাবে মিলবে স্বস্তি প্রেমিকার দু’ লক্ষ টাকার ব্যাগে প্রস্রাব প্রেমিকের! আদালতের নির্দেশে দিতে হল ক্ষতিপূরণ পার্টিতে হুল্লোড়ে ব্যস্ত প্রধানমন্ত্রী! ফিনল্যান্ডের আকাশসীমায় ঢুকে পড়ল রুশ যুদ্ধবিমান রাজশাহীতে উৎসবমুখর পরিবেশে পালিত হলো শুভ জন্মাষ্টমী আমি এনজিও খুলতে আসিনি, বিনোদনের জন্য ছবি করি: তাপসী ভারত মহাসাগরে ঘাঁটি গড়েছে চিনা নৌবাহিনী!
মাদক সম্রাট সাহাবুর’কে গ্রেফতার করে বিপাকে রাজশাহী জেলা ডিবি পুলিশ!

মাদক সম্রাট সাহাবুর’কে গ্রেফতার করে বিপাকে রাজশাহী জেলা ডিবি পুলিশ!

মাদক সম্রাট সাহাবুর'কে গ্রেফতার করে বিপাকে রাজশাহী জেলা ডিবি পুলিশ!
মাদক সম্রাট সাহাবুর'কে গ্রেফতার করে বিপাকে রাজশাহী জেলা ডিবি পুলিশ!

 “ মাদক সম্রাট সাহাবুর’কে গ্রেফতার করে বিপাকে রাজশাহী জেলা ডিবি পুলিশ! পুলিশকে ফাঁসাতে মরিয়া ওই এলাকার মাদক ব্যবসায়ীরা”

দূর্গাপুর প্রতিনিধি : রাজশাহীর দূর্গাপুর উপজেলার র্শীষ মাদক সম্রাট ও একাধিক মামলার আসামী দেবিপুর গ্রামের সাহাবুর রহমান এবং তার স্ত্রীকে মাদক মামলা দিয়ে বিপাকে পড়েছেন জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের ইন্সপেক্টর আতিকসহ জেলা ডিবি পুলিশের পুরো টিম।

গত ৩০ জুলাই বেলা ২টার দিকে রাজশাহী জেলা ডিবির পরিদর্শক আতিকের নেতৃত্বে একটি টিম অভিযান পরিচালনা করে ইয়াবা ও হেরোইন উদ্ধার করে। এ সময় সাহাবুল ও তার স্ত্রীকে গ্রেপ্তার করে মাদক মামলা দায়ের করা হয় দূর্গাপুর থানায়। ঘটনার দিন সাহাবুরের বাড়িতে মাদক সেবন করতে আসা ৩ যুবক পুলিশের কাছে স্বীকার করে তারা মাদক (ফেনসিডিল) খেতে আসামি সাহাবুরের বাড়িতে আসে। তাদের স্বীকারুক্তির ভিডিও ফুটেজ মামলার এজাহারের সাথে সংযুক্ত করা রয়েছে।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, ঘটনার ৬ দিন পরে রাজশাহী জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের পরিদর্শক আতিকুর রেজা সরকারের বিরুদ্ধে ৫ লাখ টাকা ঘুষ দাবি ও মিথ্যা মাদক মামলায় তাদের ফাঁসিয়েছে অভিযোগ তুলে কুখ্যাত মাদক সম্রাট আসামি সাহাবুরের ছেলে সুজন রাব্বী ।

এ নিয়ে বৃহস্পতিবার দুপুরে দুর্গাপুর পৌরসভা এলাকার দেবীপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করা হয়।

আরও জানা গেছে, উপজেলার দেবিপুর গ্রামের সাহাবুর, তার ছোট স্ত্রী , তার বড় স্ত্রী র্দীঘদিন যাবত মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত। তার নিজ বাড়িতে প্রতিদিন বিভিন্ন এলাকা থেকে মাদক সেবনকারিরা ফেনসিডিল, ইয়াবা, হেরোইন সেবন করতে ও ক্রয় করতে আসে। তাদের বিরুদ্ধে একাধিক মাদক মামলাও রয়েছে। মাদক মামলায় জেল হাজতেও গেছে একাধিক বার দুই স্ত্রীসহ সাহাবুর রহমান। র্দীঘদিন যাবত মাদক ব্যবসা করে বাড়ি ও অর্থ সম্পদও গড়েছেন তিনি। তাছাড়া তার ছোট ভাই ওই এলাকার কাউন্সিলর হওয়ার সুবাদে তাদের অবৈধ কর্মকান্ডের প্রতিবাদ করার সাহস করে না কেউ।

এ ব্যাপারে রাজশাহী জেলা ডিবি পুলিশের পরিদর্শক আতিক জানান, সে র্দীঘদিন যাবত মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত। তাদের বিরুদ্ধে একাধিক মামলাও রয়েছে। তাদের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে হেরোইন ও ইয়াবা উদ্ধার করে জেলা ডিবি পুলিশের একটি টিম। উদ্ধারকৃত মাদক দিয়ে তাদের স্বামী ও স্ত্রীকে মামলা দেয়া হয়। ঘটনার পর থেকেই তারা উল্টো পুলিশকে ফাঁসাতে মিথ্যা অভিযোগ করছে যে পুলিশ ৫ লাখ টাকা ঘুষ না পেয়ে তাদের মাদক মামলায় ফাঁসিয়েছে।

তিনি আরও বলেন, সাহাবুর দূর্গাপুর থানা এলাকায় র্শীষ মাদক সম্রাট হিসাবে পরিচিত। এলাকার মানুষ সবাই তার কর্মকান্ড জানে। তার পুরো পরিবার মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত। মাদকসহ তাদের গ্রেপ্তার করে মামলা দেয়ার কারনে তারা মিথ্যা অভিযোগ তুলেছে জেলা ডিবি পুলিশের বিরুদ্ধে। ওই এলাকার কিছু কথিত হলুদ সাংবাদিক ও নেতার মদদে মাদক ব্যবসা করে বলে একাধিক তথ্য প্রমাণ রয়েছে পুলিশের গোয়েন্দা সংস্থার কাছে।

পুলিশের পরিদর্শক আতিকুর রেজা সরকার আরও জানান, তাদের কাছে ঘুষ চাওয়ার কোন প্রশ্নই আসেনা। তাছাড়া মাদক ব্যবসায়ীরা পুলিশের হাতে ধরা পড়ার পরে এমন কথা বলেই থাকে। তাঁর বিরুদ্ধে আনা এসব সকল অভিযোগ মিথ্যা এবং ভিত্তিহীন বলে দাবি করেন তিনি।

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published.