শিরোনাম :
গোদাগাড়ীতে ১০লাখ টাকার হেরোইন-সহ ৩জন মাদক কারবারী গ্রেফতার নগরীর তালাইমারীতে গাঁজা কারকারী মল্লিক গ্রেফতার রাজশাহীতে প্রস্তাবিত বঙ্গবন্ধু রিভার সিটি নিয়ে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত রুয়েটকে স্মার্ট বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে রুপান্তর করতে হলে সকল ক্ষেত্রে সুশাসন প্রতিষ্ঠা করা জরুরী চিপস্ খাওয়ানোর প্রলোভন দেখিয়ে ৬ বছরের নাবালিকাকে ধর্ষণ চেষ্টা: আসামি নাইম গ্রেফতার এইচএসসি পরীক্ষা উপলক্ষ্যে আরএমপি’র নোটিশ জারি তানোরে ক্লুলেস হত্যা মামলার পলাতক আসামি ইকবাল গ্রেফতার কৃষিতে বির্পযয়ের আশঙ্কা তানোরে চোরাপথে আশা মানহীন সারে বাজার সয়লাব বাঘায় বাবুল হত্যা মামলায় চেয়ারম্যানসহ ৭ জনকে রিমান্ড শেষে কারাগারে প্রেরণ সিংড়ায় ক্যান্সারে আক্রান্ত ২২ ব্যক্তির মাঝে চেক বিতরণ
পোল্ট্রি শিল্পে এন্টিবায়োটিক এর ব্যবহার কমাতে জৈব নিরাপত্তার বিকল্প নেই

পোল্ট্রি শিল্পে এন্টিবায়োটিক এর ব্যবহার কমাতে জৈব নিরাপত্তার বিকল্প নেই

নিজস্ব প্রতিবেদক: রাজশাহীর পবায় পোল্ট্রি সেক্টরে নিরাপদ মাংস খাদ্য হিসাবে নিশ্চিতকরণে ২০ জন খামারী নিয়ে সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল বুধবার (১৬ জানুয়ারী) বিকাল ৪ টায় পবা উপজেলার মোসলেমের মোড়, এম আর কে কলেজ হল রুমে ভোক্তা অধিকার বিষয়ক জাতীয় প্রতিষ্ঠান কনজুমারস্ এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ-ক্যাব এর উদ্দ্যোগে কৃষিবিদ মিজানুর রহমান, মাঠ সমম্বয়কারী, ক্যাব, রাজশাহী এর সভাপতিত্বে সভা অনুষ্ঠিত হয়। প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) ডা. খন্দকার সাগর আহমেদ।

দাতা সংস্থা ইউকেএইড এর অর্থায়নে ও ব্রিটিশ কাউন্সিলের কারিগরি সহায়তায় ক্যাব কর্তৃক বাস্তবায়িত ইস্যু বেইজড্ প্রজেক্ট অন ফুড সেফটি গভার্নেন্স ইন পোল্ট্রি সেক্টর প্রকল্প এই সভার আয়োজন করে। ডা. খন্দকার সাগর আহমেদ বলেন, এক মাত্র জৈব নিরাপত্তাই পারে পোল্ট্রি শিল্পে এন্টিবায়োটিক এর ব্যবহার কমাতে। ব্যকটেরিয়া জনিত রোগের বিরুদ্ধে সাধারণত এন্টিবায়োটিক ব্যবহার করা হয়। প্রত্যেক খামারী যদি তাদের সামর্থ্য অনুসারে খামারের চারদিকে দেয়ালের ব্যবস্থা করেন যাতে করে বাহির থেকে সহজে কোন প্রাণি খামারের প্রবেশ করতে না পারে এমনকি খামারে নিজেদেরও প্রবেশ সংরক্ষিত করা যায় তবেই জীবাণু সহজে প্রবেশ করতে পারবে না। জীবাণু মুক্ত রাখতে খামারকে সবসময় পরিস্কার রাখতে হবে।

খামারে কাজের সময় কর্মীকে মাস্ক, আলাদা পোশাক, সেন্ডেল, হ্যান্ড গ্লোবস্ ও টুপি পরিধান করতে হবে। খামারের মেঝে অবশ্যই পাকা হতে হবে। সময়মত টিকা ও কৃমি নাশক দিতে হবে, নিরাপদ খাদ্য ও পানি নিশ্চিত করতে হবে। খামারীরা না বুঝেই ভাইরাস জনিত রোগের বিরুদ্ধে এন্টিবায়োটিক ব্যবহার করে যা শুধুই অর্থের অপচয় মাত্র। কারন খামারীরা জানেনা যে, এন্টিবায়োটিক ভাইরাস জনিত রোগের বিরুদ্ধে কাজ করে না।

অবশেষে তিনি জৈব নিরাপত্তাকে জোরদারকরনে গুরুত্ব আরোপ করে বক্তব্য শেষ করেন। সভা পরিচালনা করেন প্রকল্পের মাঠ কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোঃ মহিদুল হাসান ও কৃষিবিদ মোজাম্মেল হক।

মতিহার বার্তা ডট কম ১৭ জানুয়ারী ২০১৯

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply