শিরোনাম :
রাজশাহীতে গণসমাবেশ সফল করার লক্ষ্যে উপজেলার হাট বাজারে লিফলেট বিতরণ করলেন বিএনপি নেতা উজ্জল কমলগঞ্জে বিদেশি মদসহ আটক ১ ছাত্রীদের শ্লীলতাহানির অভিযোগে এক শিক্ষক আটক বাজারে এল ‘বিশ্বের সবচেয়ে দামি ওষুধ’, এক ডোজের দাম ২৮ কোটি টাকা! সারা দিনে দু’লিটার জল খাওয়ার কি সত্যিই কোনও প্রয়োজন রয়েছে? কী বলছে গবেষণা? শীতের সন্ধ্যায় বন্ধুরা আড্ডা দিতে আসবেন? অল্প খরচে বাড়ি সাজাবেন কী ভাবে? শীত আসতেই পা ফাটতে শুরু করেছে বয়স ১২৬! কী খান, কী পান করেন, ‘রহস্য’ জানতে ভিড় উপচে পড়ল কলকাতার হাসপাতালে যুদ্ধের নয়া অস্ত্র মিলিব্লগার! ‘ভদকা খেয়ে মরলে কেউ খোঁজ রাখে? ছেলে তো দেশের জন্য শহিদ হয়েছে’! রুশ সেনার মাকে পুতিন
পোল্ট্রি শিল্পে এন্টিবায়োটিক এর ব্যবহার কমাতে জৈব নিরাপত্তার বিকল্প নেই

পোল্ট্রি শিল্পে এন্টিবায়োটিক এর ব্যবহার কমাতে জৈব নিরাপত্তার বিকল্প নেই

নিজস্ব প্রতিবেদক: রাজশাহীর পবায় পোল্ট্রি সেক্টরে নিরাপদ মাংস খাদ্য হিসাবে নিশ্চিতকরণে ২০ জন খামারী নিয়ে সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল বুধবার (১৬ জানুয়ারী) বিকাল ৪ টায় পবা উপজেলার মোসলেমের মোড়, এম আর কে কলেজ হল রুমে ভোক্তা অধিকার বিষয়ক জাতীয় প্রতিষ্ঠান কনজুমারস্ এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ-ক্যাব এর উদ্দ্যোগে কৃষিবিদ মিজানুর রহমান, মাঠ সমম্বয়কারী, ক্যাব, রাজশাহী এর সভাপতিত্বে সভা অনুষ্ঠিত হয়। প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) ডা. খন্দকার সাগর আহমেদ।

দাতা সংস্থা ইউকেএইড এর অর্থায়নে ও ব্রিটিশ কাউন্সিলের কারিগরি সহায়তায় ক্যাব কর্তৃক বাস্তবায়িত ইস্যু বেইজড্ প্রজেক্ট অন ফুড সেফটি গভার্নেন্স ইন পোল্ট্রি সেক্টর প্রকল্প এই সভার আয়োজন করে। ডা. খন্দকার সাগর আহমেদ বলেন, এক মাত্র জৈব নিরাপত্তাই পারে পোল্ট্রি শিল্পে এন্টিবায়োটিক এর ব্যবহার কমাতে। ব্যকটেরিয়া জনিত রোগের বিরুদ্ধে সাধারণত এন্টিবায়োটিক ব্যবহার করা হয়। প্রত্যেক খামারী যদি তাদের সামর্থ্য অনুসারে খামারের চারদিকে দেয়ালের ব্যবস্থা করেন যাতে করে বাহির থেকে সহজে কোন প্রাণি খামারের প্রবেশ করতে না পারে এমনকি খামারে নিজেদেরও প্রবেশ সংরক্ষিত করা যায় তবেই জীবাণু সহজে প্রবেশ করতে পারবে না। জীবাণু মুক্ত রাখতে খামারকে সবসময় পরিস্কার রাখতে হবে।

খামারে কাজের সময় কর্মীকে মাস্ক, আলাদা পোশাক, সেন্ডেল, হ্যান্ড গ্লোবস্ ও টুপি পরিধান করতে হবে। খামারের মেঝে অবশ্যই পাকা হতে হবে। সময়মত টিকা ও কৃমি নাশক দিতে হবে, নিরাপদ খাদ্য ও পানি নিশ্চিত করতে হবে। খামারীরা না বুঝেই ভাইরাস জনিত রোগের বিরুদ্ধে এন্টিবায়োটিক ব্যবহার করে যা শুধুই অর্থের অপচয় মাত্র। কারন খামারীরা জানেনা যে, এন্টিবায়োটিক ভাইরাস জনিত রোগের বিরুদ্ধে কাজ করে না।

অবশেষে তিনি জৈব নিরাপত্তাকে জোরদারকরনে গুরুত্ব আরোপ করে বক্তব্য শেষ করেন। সভা পরিচালনা করেন প্রকল্পের মাঠ কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোঃ মহিদুল হাসান ও কৃষিবিদ মোজাম্মেল হক।

মতিহার বার্তা ডট কম ১৭ জানুয়ারী ২০১৯

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *