শিরোনাম :
রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে মসজিদের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ!

রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে মসজিদের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ!

রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে মসজিদের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ!

গোদাড়ি প্রতিনিধি: রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার এক মসজিদ কমিটির সভাপতির বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে।

১৫ বছর যাবত হিসেব নিকেশ না দেওয়ার করণে টাকা-পয়সা আত্মসাতের অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয়রা। এলাকাবাসী স্থানীয় ভাবে বিষয়টি নিরসনের জন্য ব্যর্থ হলে গত মঙ্গলবার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর মসজিদের হিসেবে নিকেশের বিষয়ে অভিযোগ দায়ের করেছে। অভিযোগটি গোদাগাড়ী ইসলামিক ফাউন্ডেশনের ইনচার্জ মোঃ ওয়াদুদ হোসেন কে তদন্তের নির্র্র্র্দেশ প্রদান করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ শিমুল আকতার।

গোদাগাড়ী উপজেলার রিশিকুল ইউনিয়নের চব্বিশনগর ডাইংপাড়া গ্রামবাসীর পক্ষে মোঃ আজাদ আলীর লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানাযায়, চব্বিশনগর ডাইংপাড়া জামে মসজিদের সভাপতি মোঃ মাজদার আলী দীর্ঘদিন মসজিদ কমিটির সভাপতি ও ক্যাশিয়ারের দায়িত্ব পালন করে আসছে। ২০০৪ সালে মসজিদ পাকা হওয়ার পর হইতে অদ্যাবধি মসজিদের আয় ব্যায়ের কোন প্রকার হিসেব নিকেশ দেয়নি।

এমতাবস্থায় মসজিদের মুসল্লিগন ও গ্রামের মানুষ হিসেব চাইতে গেলে কর্কট ভাষায় উত্তর দেয় হিসেব দিবো না যা পারিস তা করেনিস।
মসজিদের হিসেবে চাওয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে মসজিদ কমিটির সভাপতি মোঃ মাজদার আলীসহ তার সহযোগি সেরাজুল, সেকেন্দার, বাচ্চু, মন্টু ও ফেরদৌস গ্রামের মধ্যদিয়ে চলাচলের তার নিজ জায়গা বাঁশের বেড়া দিয়ে ঘিরে দিয়ে অধিপত্ত বিস্তার করে।

তাতে ওই গ্রামে ১৫ ঘরের বেশী লোকজন যাতায়াতে সমস্যার সম্মুক্ষিণ হচ্ছে। এলাকাবাসী রিশিকুল ইউনিয়নের গ্রাম আদালতে অভিযোগ দায়ের করে। ইউনিয়ন গ্রাম আদালত তাকে পরপর তিনবার উপস্থিত হওয়ার জন্য নোটিশ প্রদান করলেও সে অমান্য করে উপস্থিত হয়নি। গ্রাম আদালত ব্যার্থ হয়ে বাদি পক্ষের জবানবন্দি গ্রহণ করে ইনের আশ্রয় গ্রহণ করার পারমর্শ দেয়।

তাতে গ্রামবাসী মসজিদের হিসেব নিকেশের দাবি করে মসজিদের উন্নয়ন ও এলাকার শান্তি শৃংঙ্খলা রাক্ষাতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর অভিযোগ দায়ের করে।

গ্রামবাসী আরো অভিযোগ করেন, সভাপতি মাজদার আলী জামায়াতের নেতা। ১৫ বছরের অধিক সময় মসজিদের একাই সভাপতি ও ক্যাশিয়ারের দায়িত্ব পালন করে আসছে। এতে করে প্রতি বছর মুঠি বাবদ ৩২ হাজার টাকা, ধান বাবদ ৪০ হাজার টাকা জমি ইজারা বাবদ ৬০ হাজার টাকা,

ফিতরা বাবদ ৩৮ মনধান,১০ মন চাল, কৌটার দান, গোরস্থানের টাকাসহ বিভিন্ন আয়হতে গত ১৫ বছরে ৩৩ লাখ ১৭ হাজার টাকা মসজিদের আয় হয়েছে। তবে সে এসব আয়ের স্বচ্ছতার সহিত কোন হিসেবে প্রদান না করে ১৫ বছরের হিসেবে সে মাত্র সাড়ে ৩ লাখ টাকা আয় হয়েছে বলে জানান। এসব টাকা সভাপতি নিজেই আত্মসাত করেছে। ু হিসেবের এতবড় ফাঁরাক হওয়াতে মসজিদের উন্নয়নের সার্থে গ্রামবাসী একজোট হয়ে স্বচ্ছ হিসেব দাবি করে করছে।

এই বিষয়ে মসজিদ কমিটির সভাপতি মোঃ মাজদার আলী মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, যারা অভিযোগকারী তারাই হিসেব নিকেশে বসছে না।পাল্টা আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছে। রাস্তা বেড়া দেওয়া প্রসঙ্গে বলেন এটা আমার রাস্তা ঘিরেছি চলাচলের জন্য কোন রাস্তা দেয়নি

মতিহার বার্তা ডট কম  ০২ অক্টোবর  ২০১৯

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply