শিরোনাম :
রাজশাহী নগরীতে ভাড়াটিয়ার তথ্য নেই মালিকের কাছে, বাসায় অনৈতিক কার্যকলাপের অভিযোগ

রাজশাহী নগরীতে ভাড়াটিয়ার তথ্য নেই মালিকের কাছে, বাসায় অনৈতিক কার্যকলাপের অভিযোগ

রাজশাহী নগরীতে ভাড়াটিয়ার তথ্য নেই মালিকের কাছে, বাসায় অনৈতিক কার্যকলাপের অভিযোগ
প্রতীকী ছবি

নিজস্ব প্রতিবেদক: রাজশাহী নগরীতে ভাড়াটিয়ার তথ্য নেই মালিকের কাছে, সেই বাসায় অনৈতিক কার্যকলপের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয়দের মাঝে। দীর্ঘদিন থেকে এ কায্যকলাপ চলে আসছে নগরীর শিরোইল কলোনী কানারমোড় এলাকার মোঃ মুন্নার বাসা বাড়িতে।

মুন্না ওই এলাকার মৃত তোজাম্মেল হোসেনের ছেলে এবং আরডিএ খাঁচা সুপার মার্কেটে একজন কসমেটিক্স ব্যবসায়ী। তবে মুন্না দাবি করে বলেন, আমি সমাজের সাদাসিদা মানুষ, যদি এ ধরনের অভিযোগ পাওয়া যায় তাহলে অবশ্যই তাকে ঘর ছারতে বলে দিবো।

ভাড়াটিয়ার তথ্য থানায় জমা দিয়েছেন কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, দেয়া হয়নি পরবর্তিতে জমা দেয়ার চেস্টা করবো। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে জৈনক মুন্নার বাসায় প্রায় এক বছর থেকে ভাড়া নিয়ে এহেন কার্যকলপ চালিয়ে যাচ্ছে মেয়েটি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক স্থানীয়রা অভিযোগ করে বলেন, মেয়েটি ছোট থেকে শিরোইল কলোনীতে বসবাস করে আসছে, তার বাবার বাড়ি রংপুর জেলায়, কলোনী এলাকার এক ছেলের সাথে বিয়ে হয় তার, তাদের সংসার জীবনে দুটি সন্তান রয়েছে।

তা থাকা স্বর্তেও তার চলাফেরা ছোট থেকে বেপরওয়া, স্বামী থাকতে পর পুরুষের সাথে যোগাযোগ রাখা তার নিয়মে পরিনত করে ফেলে। স্বামীর আদেশ পালোন দুরের কথা প্রতিবাদ করলে গায়ে হাত তোলা তার কাছে মামুলি ব্যাপার ছিলো।

অবশেষে মেয়েটি সংসার করবেনা দেখে সেই স্বামীর বিরুদ্ধে আদালতে যৌতুক মামলা করেন তিনি। পরে ৫৬ হাজার টাকা দেনমোহর পরিশোধ করার পর তার স্বামীর সাথে ছাড়াছারি হয়ে যায়।

এখানেই শেষ নয় ছাড়াছারি হওয়ার পরের দিন পুনরায় স্বামীর বাসায় জোর করে প্রবেশ করার চেস্টা করে। সেই সাথে অকথ্য ভাষায় গালাগালি ছাড়াও মিথ্যা মামলা দিয়ে সবাইকে ফাসিয়ে দেয়ার হুমকি প্রদান করে তার পুর্বের শশুড় বাড়ির লোকজনদের।

স্থানীয়রা আরো বলেন, তাদের ছাড়াছারি হওয়ার এক বছর পর শিরোইল কলোনী এলাকার মোঃ জাবেদ আলীকে (৩৯) ফাঁসিয়ে বিয়ের পিড়িতে বসেন। এদের সংসার এক বছর অতিবাহিত না হতেই ফাটল ধরে বলে জানা যায়।

পরে মেয়েটি আবারো পারিবারিক আদালতে মামলা করেন দ্বীতিয় স্বামী জাবেদের বিরুদ্ধে। চলমান মাসে ০৩ই অক্টোবর ৫৬ হাজার টাকা মোহরানা বাবদ মেয়েটিকে আদালতের মাধ্যমে বুঝিয়ে দিয়ে আবার ছাড়াছারি হয়ে যায় তাদের দামপত্য জীবনে।

পরে ওই দিনে অনুরুপ রাত ১ টার দিকে জাবেদের বাসা বাড়িতে গিয়ে জাবেদেকেসহ তার প্রথম স্ত্রী গালাগালি করে সেই সাথে মিথ্যা মামলার হুমকি প্রদান করে মেয়েটি।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে অভিযুক্ত মেয়েটি অভিযোগ অশিকার এবং দাবি করে বলেন, আমি বাসা বাড়িতে কাজ করে খাই। জাবেদের সাথে ছাড়াছারি হওয়ার পর কোর্ট থেকে বের হয়ে, জাবেদ আমাকে ভুল বুঝিয়ে দেনমোহরানার টাকা আবার বিয়ে করবে বলে আমার হাত থেকে নিয়ে নেয়।

এবং রাতে আমার বাসায় থাকবে বলে, বাসায় না এসে প্রথম স্ত্রীর নিকট চলে যায়। না আসার কারনে আমি তাদের বাসায় গেছিলাম। এ ঘটনায় জাবেদের প্রথম স্ত্রী নগরীর চন্দ্রিমা থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন।

এ বিষয়ে চন্দ্রিমা থানার এসআই জাহিদ অভিযোগের কথা সত্যতা শিকার করে বলেন, অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

মতিহার বার্তা ডট কম – ০৬ অক্টোবর ২০১৯                                                                                                                                                                                                                                                                                                                     

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply