শিরোনাম :
সাধারণ মানুষ সমাবেশ প্রত্যাখান করেছে, রাসিক মেয়র লিটন রাজশাহী নগরীর ঐতিহাসিক মাদ্রাসা মাঠে বিএনপির গণসমাবেশ শুরু কাজ হল না বিষেও! আসামির মৃত্যু নিশ্চিত করতে ভয়ঙ্কর পন্থা নিলেন জেল কর্তৃপক্ষ সঙ্গ পেতে মহিলাকে নিয়ে কলকাতার হোটেলে, প্রতিশ্রুতি মতো টাকা না দেওয়ায় ধৃত ৩ বাংলাদেশি প্রি-কোয়ার্টার ফাইনালে উঠে এখন লজ্জায় মুখ দেখাতে পারছেন না স্পেনের কোচ, কেন? বদলের ব্রাজিলে নজিরের মুখে দাঁড়িয়ে আলভেস, পেলেকে শুভেচ্ছা জানিয়ে নামছে সেলেকাওরা বিশ্বকাপে নেমারের খেলার সম্ভাবনা নিয়ে এ বার মুখ খুললেন তাঁর বাবা রাজশাহীতে আনোয়ার হোসেন উজ্জলের নেতৃত্বে হাজার হাজার মানুষের মিছিল অনুষ্ঠিত শীত উপেক্ষা করে খোলা মাঠে রাত কাটালো বিএনপির নেতাকর্মীরা রাজশাহীতে বিএনপির সমাবেশে যেতে পথে পথে বাধা
রাজশাহী নগরীতে নারী দিয়ে ফাঁসাতে গিয়ে ফেঁসে গেল চন্দ্রিমা থানা পুলিশ

রাজশাহী নগরীতে নারী দিয়ে ফাঁসাতে গিয়ে ফেঁসে গেল চন্দ্রিমা থানা পুলিশ

নিজস্ব প্রতিবেদক: রাজশাহী নগরীতে নারী দিয়ে ফাঁসাতে গিয়ে ফেঁসে গেল চন্দ্রিমা থানা পুলিশ। গতকাল মঙ্গলবার (২২ জানুয়ারী) রাত সাড়ে ৮টার দিকে নগরীর চন্দ্রিমা থানাধিন রেলওয়ে মাঠের পাকা রাস্তা ধরে মোঃ আশরাফুল আলম (৩৮) নামের এক বাগমারা ভবানীগঞ্জ সরকারী ডিগ্রি কলেজের প্রফেসর একা হাঁটাহাটি করছিলেন।

প্রফেসর মোঃ আশরাফুল আলম বলেন, হাঁটাহাটি করার সময় একটি নারী আমার পাশকাটিয়ে যাওয়ার সময় চিৎকার দিয়ে ওঠে। ওই সময় পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী এএসআই আব্দুল মোমিন ও কনস্টেবল মুর্তূজা আমাকে বলে মেয়েটির গায়ে হাত দিলেন কেন ? তখন প্রফেসর বলে , আমি একজন সরকারী কলেজের শিক্ষক। আল্লাহ্-র কসম করে বলছি ওই মেয়েটিকে আমি কিছুই বলিনি।

এ সময় পুলিশ বলে আপনাকে ছাড়তে পারি আমাদের সাথে কম্প্রমাইজ করতে হবে। কিভাবে জানতে চাইলে তারা বলেন, এক্ষুনি ২০ হাজার টাকা দেয়া লাগবে। এর পর শিক্ষক বলেন এতগুলো টাকা কোথায় পাব ? তখন তারা বিকাশে ১২ হাজার টাকা ক্যাশ আউট করতে হবে। না হলে যেখানে আছে সেখানে আমরা যাব, সেখানে টাকা দিতে হবে। তখন শিক্ষক কৌশলে বলে ভদ্রা মোড়ে আমার বাসা সেখানে যাওয়া লাগবে। পুলিশ মোটর সাইকেলে তুলে শিক্ষকের কথা মতো ভদ্রা মোড়ে আসে টাকা নিতে।এ সময় পুলিশ একটি ফাঁকা জায়গায় শিক্ষকের স্ত্রীকে ফোন দিয়ে বলে আপনি একা আসেন। তিনি আরো বলেন, আমাকে পুলিশ আঘাত করেছে।

পরে শিক্ষক পুলিশের হাত থেকে বাঁচতে দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করে। এ সময় পুলিশ তাকে ছিনতাইকারী বলে চিৎকার দিয়ে ধাওয়া করে। সেখানে থাকা স্থানীয়রা ওই শিক্ষককে ছিনতাকারী বলে ধরে ফেলে। পরে সেখানে অনুমানিক ৫০/৬০জন লোক জড়ো হলে। তখন শিক্ষক উপস্থিত জনতার মাঝে ঘটনার বিবরন দেন।

শিক্ষকের কথা শুনে উপস্থিত জনতা পুলিশকে ঘিরে ফেলে এবং তাদের নাম পরিচয় ও আইডি কার্ড দেখতে চায়। পুলিশ তা দেখাতে ব্যর্থ হলে বিক্ষুদ্ধ জনতা প্রতারক পুলিশের সাথে মার মুখি আচারন করে।

ওই সময় স্থানীয়রা বিষয়টি চন্দ্রিমা থানায় অবগত করলে থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ হুমায়ুন কবির ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টা করলে শিক্ষকের শ্বশুর এ্যাডভোকেট মোঃ সাইদ আলম বলেন, তাদেরকে আটক করে হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যান। এছাড়া শিক্ষকের স্যলক রাবি পড়ুয়া শিক্ষার্থী নাসিম তারা সহপাঠী ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের ভদ্রা মোড়ে ডেকে নিয়ে পুলিশের বিরুদ্ধে শাস্তির ব্যবসা প্রদানের দাবি করেন।

সবার কথা শুনে ওসি মোঃ হুমায়ুন কবির প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের আশ্বাস দিয়ে জনতার কবলে থাকা এএসআই মোমিন ও কন্সটেবল মতিনকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যান।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে চন্দ্রিমা থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি হুমায়ুন কবির ঘটনার সত্যতা স্বিকার বলেন, এএসআই মোমিন ও কন্সটেবল মতিনের বিরুদ্ধে ডিপাটমেন্টাল ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

রাজশাহীর সময় ডট কম২৩ জানুয়ারী ২০১৯

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *