শিরোনাম :
চিরবিদায় নিলেন গজ়ল শিল্পী পঙ্কজ উধাস বাঘায় ফেনসিডিল-সহ গ্রেফতার- ৩ রাজশাহী এডিটরস ফোরামের সভাপতি লিয়াকত সম্পাদক অপু সিঙ্গাপুরের স্কুল থেকে পড়াশোনা শেষ হওয়ার আগেই তাড়িয়ে দেওয়া হয় কাজল-কন্যা নিসাকে! বচ্চনদের সঙ্গে বনিবনা হচ্ছে না ঐশ্বর্যার, এ বার আরাধ্যাকে নিয়ে মুখ খুললেন নব্যা ইউক্রেন যুদ্ধের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তিতে হামলার তীব্রতা বাড়াল রাশিয়া, নিশানায় ওডেসা-সহ বিভিন্ন শহর ইজ়রায়েলের আচরণে ক্ষুব্ধ আমেরিকা গাজ়ায় যুদ্ধের প্রতিবাদ, ওয়াশিংটনের ই‌জ়রায়েলি দূতাবাসের সামনে গায়ে আগুন, আমেরিকার সেনার ‘ভারতীয় সেনাদের নিয়ে মিথ্যা বলছেন মুইজ্জু’! এ বার প্রাক্তন মন্ত্রীর তোপের মুখে মলদ্বীপের প্রেসিডেন্ট মাদক ব্যবসা : দেনাদারের বাসায় পাওনাদারের লাশ
ভারতে বাবার চেয়ে বেশি বয়সের লোকের কাছে ৫০ হাজার টাকায় বিক্রি নাবালিকাকে,

ভারতে বাবার চেয়ে বেশি বয়সের লোকের কাছে ৫০ হাজার টাকায় বিক্রি নাবালিকাকে,

ভারতে বাবার চেয়ে বেশি বয়সের লোকের কাছে ৫০ হাজার টাকায় বিক্রি নাবালিকাকে,
প্রতীকি ছবি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ৫০ হাজার টাকার বিনিময়ে বিক্রি করে দেওয়া হয়েছিল নাবালিকাকে। তাও আবার বউ হিসেবে। রীতি মেনে বিয়ে করে ১০ বছরের নাবালিকাকে নিয়ে গিয়েছিলেন ৩৫ বছরের ব্যক্তি। সোশ্যাল মিডিয়ায় বিয়ের ভিডিও দেখে স্বামী, নাবালিকার বাবা ও এক দালালকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

ঘটনাটি গুজরাতের আসারওয়া এলাকার। এই এলাকায় পুরুষের তুলনায় মেয়ের সংখ্যা কম। তাই বিয়ের সময় বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই পণ দেয় ছেলের বাড়ির লোক। আর এক্ষেত্রে ১০ বছরের এক নাবালিকাকে টাকা দিয়ে কিনে বিয়ে করেছিলেন এক ব্যক্তি। তিনি বয়সে নাবালিকার বাবার থেকেও বড়। সবটাই হয়েছিল এক দালালের মাধ্যমে।

মঙ্গলবার ওই নাবালিকাকে তার শ্বশুরবাড়ি থেকে উদ্ধার করেন আসারওয়ার অ্যাসিস্ট্যান্ট পুলিশ কমিশনার কে এম জোসেফ। কুবেরনগর এলাকা থেকে উদ্ধার করে ওধাভে একটি মহিলা সুরক্ষা হোমে আপাতত তাকে রাখা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

পুলিশ সূত্রে খবর, সম্প্রতি একটি ভিডিও পাঠানো হয় জোসেফের অফিসে। সেই ভিডিওতে দেখা যায় এক ব্যক্তি একটি বাচ্চা মেয়েকে সিঁদুর পরিয়ে বিয়ে করছেন। এই ভিডিও দেখেই খোঁজ শুরু করে পুলিশ। জানা যায় ওই ব্যক্তির নাম গোবিন্দ ঠাকোর। তারপরেই এক সরকারি আধিকারিক গোবিন্দের বাড়িতে পৌঁছন। সঙ্গে ছিলেন নাবালিকার বাবা। তিনি নিজের মেয়েকে শনাক্ত করেন। তিনি বলেন, অগস্ট মাসে মেয়ের বিয়ে দিয়েছিলেন তিনি। তার বদলে ৫০ হাজার টাকা পান। পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে নাবালিকার নাম জগমল গামার।

পুলিশের জেরার মুখে গোবিন্দ স্বীকার করেন এক দালালের মাধ্যমে এই বিয়ে ঠিক হয়। প্রথমে ঠিক হয়েছিল তিনি দেড় লক্ষ টাকা দিয়ে কিনে নেবেন জগমলকে। বিয়ের আগে ৫০ হাজার টাকা দিয়েছিলেন গোবিন্দ। কিন্তু বাকি এক লক্ষ টাকা দেননি। তাই নিয়ে দালালের সঙ্গে বচসা হয় তাঁর। তারপরেই দালাল ওই বিয়ের ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ছেড়ে দেয়। ভিডিও পাঠানো হয় পুলিশের কাছেও।

গোবিন্দ, নাবালিকার বাবা ও দালালের বিরুদ্ধে একাধিক ধারায় অভিযোগ দায়ের করেছে পুলিশ। তিনজনকেই গ্রেফতার করে পুলিশি হেফাজতে রাখা হয়েছে।

মতিহার বার্তা ডট কম – ১৬ অক্টোবর ২০১৯

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply