শিরোনাম :
এক থাপ্পড়ে ব্যবসায়ী খুন , কলকাতা এখন গুণ্ডাদের শহর, বললেন নিহতের মেয়ে

এক থাপ্পড়ে ব্যবসায়ী খুন , কলকাতা এখন গুণ্ডাদের শহর, বললেন নিহতের মেয়ে

এক থাপ্পড়ে ব্যবসায়ী খুন , কলকাতা এখন গুণ্ডাদের শহর, বললেন নিহতের মেয়ে
এক থাপ্পড়ে ব্যবসায়ী খুন , কলকাতা এখন গুণ্ডাদের শহর, বললেন নিহতের মেয়ে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : গাড়ির হর্ন বাজানো নিয়ে বচসা। আর তা নিয়ে ভর দুপুরে খুনের ঘটল কলকাতার অন্যতম অভিজাত এলাকা ভবানীপুরে। নিহতের মেয়ে সংবাদমাধ্যমের সামনে অভিযোগ করলেন, “চব্বিশ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও পুলিশ কোনও পদক্ষেপ করেনি। এই শহরে গুণ্ডারাজ চলছে।”

বৃহস্পতিবার দুপুরে বাড়ি থেকে বেরিয়ে গাড়িতে উঠছিলেন ডার্ক সিকিউরিটি এজেন্সির অন্যতম মালিক রমেশ বহেল। বাড়িতে চলছিল করবা চৌথের অনুষ্ঠান। কিন্তু অফিসে বিশেষ কাজ থাকায় রমেশবাবুকে বেরোতে হয়েছিল বলে জানিয়েছেন তাঁর মেয়ে পূজা। তাঁর বক্তব্য, “বাবার স্পন্ডেলাইসিস ছিল।  হাঁটতে চলতে অসুবিধেই হতো। গাড়িতে উঠতে একটু সময় লাগছিল। পিছনের একটি গাড়ি অনবরত হর্ণ বাজাতে থাকে। বাবা বলেন, গাড়িতে উঠে যাচ্ছেন। দয়া করে হর্ণ বাজাবেন না। এরপরই ওই গাড়ি থেকে এক ভদ্রলোক নেমে এসে বাবাকে থাপ্পড় মারেন। বাবা পড়ে যান। গাড়ি ঘুরিয়ে পালিয়ে যায় ওরা। বাবাকে একটি স্থানীয় নার্সিংহোমে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা মৃত বলে ঘোষণা করেন।”

পূজার আরও বক্তব্য, “আমরা ওই গাড়ির নম্বর জোগার করে পুলিশকে দিয়েছিলাম। জানতে পেরেছি যিনি বাবাকে মারধর করে মেরে ফেলেছেন তিনি একজন আইনজীবী। তাঁর সঙ্গে অনেক নেতামন্ত্রীর যোগাযোগ। সেই কারণেই কি তিনি এখনও বহাল তবিয়তে রয়েছেন? আগে তো এই শহরটা এমন ছিল না। এ শহরে এখন গুণ্ডারাজ চলছে। আমাদের কোনও নিরাপত্তাই নেই। ” নিহত রমেশ পহেলের স্ত্রী বলেন, “বাড়িতে করবা চৌথের অনুষ্ঠান চলছিল। আমি উপোস করে ছিলাম। মানুষটা ফিরলে মিষ্টি খাওয়াব বলে সাজিয়ে রেখেছিলাম। কিন্তু এমন ঘটনা হবে ভাবিনি।”

যেখানে এই ঘটনা ঘটেছে সেই ১২৯/১ বকুলবাগান রোড থেকে ভবানীপুর থানার দূরত্ব মেরেকেটে ৫০০ মিটার। থানার এত কাছে দিনের বেলা এমন ঘটনা কী ভাবে ঘটল তা নিয়েও উঠছে প্রশ্ন। যদিও পুলিশ জানিয়েছে, গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। শিগগিরই গাড়ির মালিককে চিহ্নিত করে ধরা হবে। সূত্রের খবর একটি পেট্রল পাম্প এবং একটি বড় রাস্তার মোড়ের সিসিটিভি ফুটেজ হাতে পেয়েছে পুলিশ। যাতে দেখা গিয়েছে বেলা একটা নাগাদ ওই গাড়িটি পালাচ্ছে। স্বজন হারিয়ে পহেল পরিবারের এখন একটাই চাওয়া—শাস্তি হোক অভিযুক্তের। পদক্ষেপ করুক প্রশাসন। যাতে এ শহরে আর কাউকে এ ভাবে আর মরতে না হয়।

মতিহার বার্তা ডট কম:১৯ অক্টোবর ২০১৯

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply