শিরোনাম :
রাজশাহীতে গণসমাবেশ সফল করার লক্ষ্যে উপজেলার হাট বাজারে লিফলেট বিতরণ করলেন বিএনপি নেতা উজ্জল কমলগঞ্জে বিদেশি মদসহ আটক ১ ছাত্রীদের শ্লীলতাহানির অভিযোগে এক শিক্ষক আটক বাজারে এল ‘বিশ্বের সবচেয়ে দামি ওষুধ’, এক ডোজের দাম ২৮ কোটি টাকা! সারা দিনে দু’লিটার জল খাওয়ার কি সত্যিই কোনও প্রয়োজন রয়েছে? কী বলছে গবেষণা? শীতের সন্ধ্যায় বন্ধুরা আড্ডা দিতে আসবেন? অল্প খরচে বাড়ি সাজাবেন কী ভাবে? শীত আসতেই পা ফাটতে শুরু করেছে বয়স ১২৬! কী খান, কী পান করেন, ‘রহস্য’ জানতে ভিড় উপচে পড়ল কলকাতার হাসপাতালে যুদ্ধের নয়া অস্ত্র মিলিব্লগার! ‘ভদকা খেয়ে মরলে কেউ খোঁজ রাখে? ছেলে তো দেশের জন্য শহিদ হয়েছে’! রুশ সেনার মাকে পুতিন
পরিচ্ছন্নতাকর্মীর পা ধুয়ে দিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী

পরিচ্ছন্নতাকর্মীর পা ধুয়ে দিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : শহরের ময়লা-আবর্জনা পরিস্কার করা যাদের নিত্যদিনের কাজ, তাদের পা ধুয়ে সম্মান জানালেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী।নরেন্দ্র মোদি যে নজির গড়লেন পৃথিবীর আর কোনো শাসক তা করেছেন কিনা তা গবেষণার বিষয়।

রোববার কুম্ভমেলায় গিয়ে একে একে পাঁচজন পরিচ্ছন্নতাকর্মীর পা ধুয়ে দেন মোদি।শুধু পা ধুয়ে দেন নি, তাদের পা নতুন তোলায়ে দিয়ে মুছেও দিয়েছেন।একজন সরকার প্রধানের এমন বদান্যতায় অবাক পরিচ্ছন্নকর্মীরা।

পদ্মা, যমুনা, সরস্বতী, নদীর সংযোগস্থলে প্রতিবার বসে কুম্ভমেলা।এতে প্রতিবার গোসল করতে বহু পুণ্যার্থীর সমাগম হয়।বহু মানুষের চাপ পড়ায় ঘাট পরিস্কার রাখাটাই চ্যালেঞ্জ। যারা এই কাজটি করেন তাদের প্রতি সম্মান দিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী।

এদিন পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা বসেন চেয়ারে। আর নিচে একটি মোড়ায় বসে পাত্রে পানি নিয়ে পরিচ্ছন্নকর্মীদের পায়ে সাবান মাখিয়ে দেন খোদ প্রধানমন্ত্রী।পরে পরম মমতা নিয়ে পা ধুইয়ে দেন।সেই পা মুখে দেন নতুল তোয়ালে দিয়ে।

পা ধুয়ে দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এখানে ২০ হাজারের বেশি ডাস্টবিন, ১ লাখ টয়লেট রয়েছে। ভাবা যায়, কতটা কঠোর পরিশ্রম করেছেন পরিচ্ছন্নকর্মীরা।

পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের কাজের প্রশংসা করে ভারতের প্রধানমন্ত্রী বলেন, এরা রোজ ভোরে ঘুম থেকে উঠেন, দেরি করে ঘুমোতে যান। রোজ সকাল ও রাতে তারা সড়কে থাকেন।জীবনের ঝুঁকি নিয়ে শহর পরিচ্ছন্ন করেন। এরা কোনো প্রশংসা চান না, সেবা দিয়ে যাচ্ছেন।এরা আমার ভাই।

মোদি যাদের পা ধুয়ে দিয়েছেন তাদের মধ্যে নরেশ কুমার বলেন, এমন যে কিছু হবে, তা তারা জানতেনই না। স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী তাদের পা ধুয়ে দেয়ায় তারা স্তম্ভিত।সূত্র: যুগান্তর।

পরিচ্ছন্নতাকর্মী জ্যোতি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর কাছে এত সম্মান পাব কোনোদিন ভাবিনি। কতদিন কুম্ভে কাজ করছি তাও জানতে চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। আর মুগ্ধ পেয়ারে লাল বলেন, উনিই যেন ফের প্রধানমন্ত্রী হন।

মতিহার বার্তা ডট কম ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *