শিরোনাম :
রাজশাহীতে গণসমাবেশ সফল করার লক্ষ্যে উপজেলার হাট বাজারে লিফলেট বিতরণ করলেন বিএনপি নেতা উজ্জল কমলগঞ্জে বিদেশি মদসহ আটক ১ ছাত্রীদের শ্লীলতাহানির অভিযোগে এক শিক্ষক আটক বাজারে এল ‘বিশ্বের সবচেয়ে দামি ওষুধ’, এক ডোজের দাম ২৮ কোটি টাকা! সারা দিনে দু’লিটার জল খাওয়ার কি সত্যিই কোনও প্রয়োজন রয়েছে? কী বলছে গবেষণা? শীতের সন্ধ্যায় বন্ধুরা আড্ডা দিতে আসবেন? অল্প খরচে বাড়ি সাজাবেন কী ভাবে? শীত আসতেই পা ফাটতে শুরু করেছে বয়স ১২৬! কী খান, কী পান করেন, ‘রহস্য’ জানতে ভিড় উপচে পড়ল কলকাতার হাসপাতালে যুদ্ধের নয়া অস্ত্র মিলিব্লগার! ‘ভদকা খেয়ে মরলে কেউ খোঁজ রাখে? ছেলে তো দেশের জন্য শহিদ হয়েছে’! রুশ সেনার মাকে পুতিন
দেশে ফিরে অগ্নিপরীক্ষার মুখে বায়ুসেনা অভিনন্দন

দেশে ফিরে অগ্নিপরীক্ষার মুখে বায়ুসেনা অভিনন্দন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ৫৫ ঘণ্টার লড়াই শেষ৷ ঘরের ছেলে ফিরে এলেন ঘরে৷ তবে এই যুদ্ধ এখানেই শেষ নয়৷ দেশে ফিরেও এক অন্য পরীক্ষার মুখে বসতে হবে তাঁকে৷ ঠিক যেন রাবণের লঙ্কাপুরী থেকে ফিরে অগ্নিপরীক্ষার মুখে পড়তে হয়েছিল সীতাকে৷

তাঁর সাহসিকতা এখন লোকের মুখে মুখে৷ তিনি উইং কমান্ডার অভিনন্দন বর্তমান৷ যিনি শত্রুর পাক জমিনে হামলা করতে গিয়ে পাক সেনার হাতে বন্দি হন৷ পাক সেনা তাঁকে নিজেদের হেফাজতে নেয়৷ শুরু হয় অভিনন্দনের অন্য লড়াই৷ এই লড়াই কখন থামবে জানতেনও না তিনি নিজেও৷ তবুও ভেঙে পড়েননি৷ প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও সাহসিকতার পরিচয় দিয়েছেন তিনি।

এবার দেশে ফিরে অগ্নিপরীক্ষার মুখে অভিনন্দন৷ দু’দিনের বেশি সময় শত্রুদের সঙ্গে ও তাদের মাঝে কাটিয়ে এসেছেন তিনি৷ যেহেতু অভিনন্দন যুদ্ধবন্দি ছিলেন সেহেতু বায়ুসেনার নিয়ম অনুযায়ী তাঁকে কিছু পরীক্ষার মধ্যে দিয়ে যেতে হবে৷ কি সেই পরীক্ষা জেনে নেওয়া যাক৷

প্রথমেই তাঁকে নিয়ে যাওয়া হবে ভারতীয় বায়ুসেনার ইনটেলিজেন্স ইউনিটের কাছে৷
এরপর কিছু মেডিক্যাল ও ফিটনেস পরীক্ষা করা হবে তাঁর৷
পুরো শরীরের স্ক্যানিং হবে৷ অনেক সময় যুদ্ধবন্দি সেনা অফিসারদের শরীরে মাইক্রোচিপ ঢুকিয়ে দেওয়া হয়৷ সেই চিপের মাধ্যমে সেই দেশের নিরাপত্তা সংক্রান্ত তথ্য আদায় করে শত্রু দেশ৷ তাই এই স্ক্যানিং খুব জরুরি৷
বায়ুসেনার এই উইং কমান্ডারকে সাইকোলজিক্যাল পরীক্ষাও দিতে হবে৷ বন্দি থাকাকালীন অনেক ট্রমা ও মানসিক চাপের মধ্যে দিয়ে যেতে হয়েছে৷ তাঁর মুখ থেকে তথ্য আদায় করতে অনেক নৃশংস পন্থা অবলম্বন করতে পারে পাকিস্তান৷ তাই এই পরীক্ষা অত্যন্ত জরুরি৷
বায়ুসেনার অফিসারকে র বা আইবির আধিকারিকদের জেরার মুখে পড়তে হতে পারে৷ সাধারণত বায়ুসেনার আধিকারিকদের গুপ্তচর বা কোনও কেন্দ্রীয় সংস্থা জেরা করতে পারে না৷ কিন্তু অভিনন্দনের কেসটি আলাদা৷ তিনি পাকিস্তানে দু’দিনের বেশি সময় ছিলেন৷
সবচেয়ে কঠিন পরীক্ষা- নিজের অফিসারদের অগ্নিপরীক্ষা দিতে হবে অভিনন্দনকে৷ অফিসারদের কাছে নিজের বিশ্বস্ততার প্রমাণ দিতে হবে৷ তাঁকে প্রমাণ দিতে হবে তিনি এখনও ভারতীয় বায়ুসেনার একজন বীর অফিসার৷ ছলে বলে ভয় দেখিয়ে পাকিস্তান তাঁকে চর বানাতে পারেনি৷

বায়ুসেনার এক অফিসার জানিয়েছে, এর কোনও একটি পরীক্ষায় ফেল করলে ককপিটে আর বসা হবে না উইং কমান্ডারের৷ তাঁকে ডেস্কের কাজে বসিয়ে দেওয়া হতে পারে৷ তবে এখনই এই সব বলার সময় আসেনি৷

বায়ুসেনা আশাবাদী যেরকম সাহসের পরিচয় দিয়ে পাকিস্তানের সঙ্গে যুদ্ধ জয় করে দেশে ফিরেছেন সেই একই ভাবে এই পরীক্ষাগুলিতেও সসম্মানে পাশ করে যাবেন৷

মতিহার বার্তা ডট কম ০১ মার্চ ২০১৯

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *