শিরোনাম :
পুলিশ পরিচয় দিয়ে অপহরণ’ চক্রের নারী সদস্যসহ আটক পাঁচ

পুলিশ পরিচয় দিয়ে অপহরণ’ চক্রের নারী সদস্যসহ আটক পাঁচ

মতিহার বার্তা ডেস্ক : চট্টগ্রামে নিজেদের পুলিশ পরিচয় দিয়ে গাড়ি তল্লাশি করার কথা বলে ও নারী সদস্যদের মাধ্যমে ফাঁদে ফেলে অপহরণ করত একটি চক্র। পরে অপহরণ করা ব্যক্তিদের অস্ত্র দেখিয়ে অথবা হাতে ইয়াবা ধরিয়ে দিয়ে তাঁদের ছবি তুলে মুক্তিপণ আদায় করত তারা।

এমনই একটি চক্রের পাঁচ সদস্যকে আটক করা হয়েছে বলে দাবি করছে চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশ (সিএমপি)। গতকাল শুক্রবার চট্টগ্রামের বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চালিয়ে এই পাঁচ সদস্যকে আটক করা হয়।

রেয়াজউদ্দিন বাজারের ইমরান নামের এক ব্যবসায়ীকে অপহরণের পর মুক্তিপণ আদায়ের অভিযোগ তদন্ত করতে গিয়ে চক্রটির সন্ধান পাওয়া যায় বলে জানায় পুলিশ।

আটক হওয়া ব্যক্তিরা হলেন দিদারুল ইসলাম (৩৫), ফাতেমা ইয়াছমিন (২৮), মোস্তাফা সিফা (২৩), আনোয়ার হোসেন (৪৪) ও রাকিব আল ইমরান (২৬)।

আজ শনিবার সকালে সিএমপির (দক্ষিণ) উপকমিশনার মেহেদী হাসান সংবাদ সম্মেলন করে বলেন, ‘এ রকম অপহরণ চক্রের সাথে পাঁচ থেকে ছয়জনের একটা দল থাকে। আমরা এই দলের পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছি। এ রকম চক্রে দুই থেকে তিনজন নারী সদস্য থাকে। আর দুই থেকে তিনজন পুরুষ সদস্য থাকে। তারা প্রথমে একটি বাড়িতে স্বামী-স্ত্রী পরিচয় দিয়ে ভাড়া নেয় এবং সেখান থেকেই তারা তাদের কার্যক্রম শুরু করে। মূলত তারা টার্গেট করে বিত্তশালী পুরুষ মানুষকে। সেই পুরুষ মানুষদের সঙ্গে ওই নারী সদস্যরা বিভিন্নভাবে যোগাযোগ স্থাপন করে তাদেরকে ফুঁসলিয়ে তাদের বাড়িতে নিয়ে আসে। এরপর বিভিন্নভাবে ওই ব্যক্তিদের ফাঁদে ফেলে।’

উপকমিশনার মেহেদী হাসান আরো জানান, কিছু কিছু ক্ষেত্রে দেখা যায়, অস্ত্র ও ইয়াবা দিয়ে তারা ফাঁদে ফেলে। আবার কিছু কিছু ক্ষেত্রে পুলিশ পরিচয় দিয়ে ফাঁদে ফেলে। বিশেষ করে এই চক্রটির নারীদের ফাঁদে যারা পা দেন, সমাজের বিত্তশালী মানুষ যারা আছেন, তারাই মূলত এ ধরনের ট্র্যাপে পড়েন। তো এ রকমই একটি চক্রকে আমরা আটক করতে সক্ষম হয়েছি। সংঘবদ্ধ এ চক্রটির আরো কয়েকজন সদস্য ধরা-ছোঁয়ার বাইরে আছে বলেও জানান তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে আরো বক্তব্য দেন অতিরিক্ত কমিশনার আবদুর রউফ, কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মহসিন প্রমুখ।সুত্র: এন টিভি

মতিহার বার্তা ডট কম ০৯ মার্চ ২০১৯

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *