বেলকুচির তামাই বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ে গাইড বই বানিজ্য সহ নানা অনিয়মের অভিযোগ

বেলকুচির তামাই বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ে গাইড বই বানিজ্য সহ নানা অনিয়মের অভিযোগ

খন্দকার মোহাম্মাদ আলী সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি : সরকার থেকে বিনা মূল্যে ইংরেজি ও বাংলা ব্যাকরণ বই দেওয়া হলেও সিরাজগঞ্জের বেলকুচি উপজেলার তামাই বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ে তা পড়ানো হচ্ছে না। তার পরিবর্তে পড়ানো হচ্ছে সহায়িকা (গাইড) বই ।

স্কুল শিক্ষকরা তাদের পছন্দমতো প্রকাশনীর সহায়িকা (গাইড) বই কিনতে শিক্ষার্থীদের বাধ্য করছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। যার ফলে খতিগ্রস্থ হচ্ছে গরীব শিক্ষার্থীরা ।

সরোজমিনে তামাই বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ে গিয়ে জানাযায়,৬ষ্ঠ শ্রেণি থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত ছাত্র-ছাত্রীদের বিদ্যালয় থেকে নির্ধারিত একটি প্রকাশনীর সহায়িকা গাইড বই কেনার জন্য স্লিপ দেয়া হয়েছে এবং মৌখিক ভাবে জানিয়ে দেয়া হয়েছে । অনেকেই সেই স্লিপ অনুযায়ী সহায়িকা গাইড বই কিনেছে ।

বিদ্যালয়টিতে ষষ্ঠ থেকে ১০ম শ্রেণি পর্যন্ত ৯৮৫ জন শিক্ষার্থী রয়েছে । এদের মাঝে কেও বিদ্যালয়ে কোন কারনে উপস্থিত হতে না পাড়লে এক দিনের জন্য ২০ টাকাহারে জরিমানা আদায় করা হয়। এতেকরে বিদ্যালয়ে ছাত্র ছাত্রীদের অনুপুস্থিত সংখ্যা অনুযায়ী প্রতিনিয়ত হাজার হাজার টাকা জরিমানা আদায় করে থাকে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। এছাড়াও শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তি দেয়া নিয়েও রয়েছে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের স্বজন পৃতির নানা অভিযোগ।প্রকৃত গরীব ছাত্র ছাত্রীরা আবেদন করেও বঞ্চিত হচ্ছে উপবৃত্তি থেকে ।

তাছাড়া জানুয়ারির প্রথম দিন শিক্ষার্থীদের বিনা মুল্যে বই দেয়ার কথা থাকলেও প্রতিটি শিক্ষার্থীদের নিকট সেশন ফি বাবদ ৮০০ টাকা করে নিয়ে বই দেয়া হয়েছে ।

পররবর্তিতে বিষয়টি নিয়ে অবিভাবকদের মাঝে সমালোচনা হলে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে টাকা আদায়ের রশিদ ফিরিয়ে নেয় শিক্ষকরা । অতিরিক্ত ক্লাসের নামে বিদ্যালয়ের ভিতরেই চলছে কোচিং বানিজ্য এতে করে হাতিয়ে নিচ্ছে হাজার হাজার টাকা ।

শিক্ষার্থীদের অবিভাবকরা জানান,স্কুলের শিক্ষকদের অনিয়ম দুর্নীতি দেখার কেও নেই । অভিযোগ দিলেও তা আমলে নেয় না কর্তৃপক্ষ ,উল্টো নাজেহাল হতে হয় অভিযোগকারীদের ।যার কারনে কেূ মুখ খুলতে চায় না

এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃআব্দুল হামিদ সরকারের কাছে জানতে চাইলে তিনি নানান কৌশলে অভিযোগুলোর বিষয়ে এরিয়ে যান এবং গাইড বইয়ের জন্য বেলকুচি শিক্ষক সমিতির উপরে দায় চাপান ।

বেলকুচি উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার এস এম গোলাম রেজা মুঠোফনে জানান , জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) নির্ধারিত বইয়ের বাইরে যে কোনো বই পড়ানো বেআইনি।এ ব্যাপারে অভিযোগ পেলে ব্যাবস্থা গ্রহন করা হবে ।

মতিহার বার্তা ডট কম- ১৬ মার্চ ২০১৯

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *