শিরোনাম :
সাধারণ মানুষ সমাবেশ প্রত্যাখান করেছে, রাসিক মেয়র লিটন রাজশাহী নগরীর ঐতিহাসিক মাদ্রাসা মাঠে বিএনপির গণসমাবেশ শুরু কাজ হল না বিষেও! আসামির মৃত্যু নিশ্চিত করতে ভয়ঙ্কর পন্থা নিলেন জেল কর্তৃপক্ষ সঙ্গ পেতে মহিলাকে নিয়ে কলকাতার হোটেলে, প্রতিশ্রুতি মতো টাকা না দেওয়ায় ধৃত ৩ বাংলাদেশি প্রি-কোয়ার্টার ফাইনালে উঠে এখন লজ্জায় মুখ দেখাতে পারছেন না স্পেনের কোচ, কেন? বদলের ব্রাজিলে নজিরের মুখে দাঁড়িয়ে আলভেস, পেলেকে শুভেচ্ছা জানিয়ে নামছে সেলেকাওরা বিশ্বকাপে নেমারের খেলার সম্ভাবনা নিয়ে এ বার মুখ খুললেন তাঁর বাবা রাজশাহীতে আনোয়ার হোসেন উজ্জলের নেতৃত্বে হাজার হাজার মানুষের মিছিল অনুষ্ঠিত শীত উপেক্ষা করে খোলা মাঠে রাত কাটালো বিএনপির নেতাকর্মীরা রাজশাহীতে বিএনপির সমাবেশে যেতে পথে পথে বাধা
ঘুমন্ত স্বামীর গায়ে এক কড়ই গরম তেল ঢাললেন স্ত্রী!

ঘুমন্ত স্বামীর গায়ে এক কড়ই গরম তেল ঢাললেন স্ত্রী!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : কলকাতার শেওড়াফুলি গড়বাগান এলাকায় স্ত্রীকে  সন্দেহ করতেন স্বামী। সেই নিয়ে নিত্যদিন চলত ঝগড়া-বিবাদ। মনে মনে স্বামীকে ‘শাস্তি’ দেওয়ার চিন্তা করলেন স্ত্রী। অভিযোগ, ঝগড়া এমনই চরম পর্যায় চলে যায় যে ঘুমন্ত স্বামীর গায়ে এক গামলা গরম তেল ঢেলে দেন তিনি। ঘটনার বীভৎসতায় চমকে উঠেছেন পুলিশ কর্তারাও। আশঙ্কাজনক অবস্থায় সেই ব্যক্তির চিকিৎসা চলছে হাসপাতালে।

শেওড়াফুলি গড়বাগান এলাকার বাসিন্দা অমিত সাহার গায়ে গরম তেল ঢেলে দেওয়ার অভিযোগ উঠল তাঁর স্ত্রী লিপিকার বিরুদ্ধে। পুলিশকে গোটা ঘটনারই বিবরণ দিয়েছে অমিত-লিপিকার ছেলে রিতেশ। মায়ের দিকেই অভিযোগের আঙুল তুলেছে কিশোর। তার বয়ানের ভিত্তিতেই লিপিকাকে আটক করেছে পুলিশ।

এলাকায় লুচি-পুরীর দোকান রয়েছে অমিতের। তাঁর পরিবার সূত্রে খবর, সতেরো বছর আগে লিপিকার সঙ্গে বিয়ে হয় অমিতের। বিয়ের পর থেকেই স্বামী-স্ত্রীয়ের মধ্যে বিশেষ বনিবনা ছিল না। প্রায়ই দু’জনের মধ্যে ঝগড়া, অশান্তি হত বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রাও। অভিযোগ, লিপিকাকে নানা ভাবে সন্দেহ করতেন অমিত। সে পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়েছে এমন দাবিও নাকি তুলেছিলেন তিনি। সেই নিয়ে বেশ কিছুদিন ধরেই বিবাদ চরমে ওঠে।

বৃহস্পতিবার ফের শুরু হয় অশান্তি। রিতেশের দাবি, রাত অবধি ঝগড়া করেন তার মা-বাবা। তার পর রাতে অমিত ঘুমিয়ে পড়লে লিপিকা এক কড়া তেল গরম করে স্বামীর গায়ে ঢেলে দেন। যন্ত্রণায় চিৎকার করে ওঠেন অমিত। বাবাকে চেঁচাতে দেখে ছুটে আসে রিতেশ। তার কথায়, “চিৎকার শুনে আমি ছুটে গিয়ে দেখি যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছে বাবা। সারা গা পুড়ে গেছে। মুখ সাদা। ঘরে মা নেই। আমি ছুটে গিয়ে পাশের বাড়ির লোকজনকে ডেকে আনি। ”

স্থানীয়রাই অমিতকে উদ্ধার করে প্রথমে শ্রীরামপুর ওয়ালস হাসপাতালে ভর্তি করেন। পরে অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে।

লিপিকার নামে পুলিশের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন অমিতের বোন প্রিয়ঙ্কা পাল। পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত লিপিকাকে পুলিশি হেফাজতেই রাখা হবে। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা চলছে।

মতিহার বার্তা ডট কম ২৯ মার্চ ২০১৯

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *