শিরোনাম :
সাধারণ মানুষ সমাবেশ প্রত্যাখান করেছে, রাসিক মেয়র লিটন রাজশাহী নগরীর ঐতিহাসিক মাদ্রাসা মাঠে বিএনপির গণসমাবেশ শুরু কাজ হল না বিষেও! আসামির মৃত্যু নিশ্চিত করতে ভয়ঙ্কর পন্থা নিলেন জেল কর্তৃপক্ষ সঙ্গ পেতে মহিলাকে নিয়ে কলকাতার হোটেলে, প্রতিশ্রুতি মতো টাকা না দেওয়ায় ধৃত ৩ বাংলাদেশি প্রি-কোয়ার্টার ফাইনালে উঠে এখন লজ্জায় মুখ দেখাতে পারছেন না স্পেনের কোচ, কেন? বদলের ব্রাজিলে নজিরের মুখে দাঁড়িয়ে আলভেস, পেলেকে শুভেচ্ছা জানিয়ে নামছে সেলেকাওরা বিশ্বকাপে নেমারের খেলার সম্ভাবনা নিয়ে এ বার মুখ খুললেন তাঁর বাবা রাজশাহীতে আনোয়ার হোসেন উজ্জলের নেতৃত্বে হাজার হাজার মানুষের মিছিল অনুষ্ঠিত শীত উপেক্ষা করে খোলা মাঠে রাত কাটালো বিএনপির নেতাকর্মীরা রাজশাহীতে বিএনপির সমাবেশে যেতে পথে পথে বাধা
রাজশাহী সীমান্তে ভারতীয় গুপ্তচরের কাছে তথ্য পাচার ! আট পাচারকারী

রাজশাহী সীমান্তে ভারতীয় গুপ্তচরের কাছে তথ্য পাচার ! আট পাচারকারী

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ ভারতীয় এক গোয়েন্দার কাছে তথ্য পাচারের সময় বাংলাদেশি এক যুবককে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। তার নাম মো. মিঠু (৩০)। তিনি রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার ভারতীয় সীমান্ত লাগোয়া চর আষাড়িয়াদহ ইউনিয়নের চর কানাপাড়া গ্রামের দুলাল হোসেনের ছেলে।

(২৮মার্চ) শনিবার সকালে চর আষাড়িয়াদহ ইউনিয়নের সাহেবনগর এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। এরপর তাকে বিজিবির সাহেবনগর সীমান্ত ফাঁড়িতে রেখে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তবে বিজিবির পক্ষ থেকে দিনভর বিষয়টি গোপন রাখা হয়। সন্ধ্যায় ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাকে রাজশাহী শহরে বিজিবির ১ ব্যাটালিয়নের সদর দপ্তরে পাঠানো হয়। তখন বিষয়টি জানাজানি হয়।

যোগাযোগ করা হলে সাহেবনগর সীমান্ত ফাঁড়ির কমান্ডার নায়েক সুবেদার শফিকুল ইসলাম শফিক বিষয়টির সত্যতা স্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, সীমান্তের এপারে বাংলাদেশি লোকজন মাঠে কাজ করছিলেন।

ওই সময় সীমান্তের ওপার থেকে কয়েকটি গবাদিপশু নিয়ে এপারে আসছিলেন কয়েকজন রাখাল। মিঠু ওইসব লোকজনের ছবি তুলে ভারতীয় সীমান্ত রক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) গোয়েন্দা সংস্থার একজন কর্মকর্তার কাছে ম্যাসেঞ্জারের মাধ্যমে পাঠাচ্ছিলেন। বিষয়টি লোকজন বুঝতে পেরে বিজিবিকে খবর দেন।

এরপর তাকে আটক করে ফাঁড়িতে নেয়া হয়। বিজিবি সূত্র জানাযায়, মিঠুকে আটকের সময় তার কাছে থাকা দুটি মোবাইল ফোনে ভারতীয় সিমকার্ড সক্রিয় ছিল।

আটকের পর মিঠুর মোবাইল ফোনটি সক্রিয় থাকার সময় বিএসএফের একজন গোয়েন্দা কর্মকর্তার ফোন আসে। পরে ফোনটি বন্ধ করে সেটি জব্দ করা হয়েছে। জব্দ করা হয়েছে ভারতীয় সিমকার্ডও।

মিঠু প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানিয়েছেন, কিছু দিন ধরে তিনি বিএসএফের গোয়েন্দা কর্মকর্তার এজেন্ট হিসেবে কাজ করছিলেন। বিভিন্ন তথ্য তিনি পাচার করতেন।

নায়েক সুবেদার শফিকুল ইসলাম বলেন, সীমান্তের এপারের বিভিন্ন স্থাপনা, ঘরবাড়ি এবং মানুষের ছবি বিএসএফের কাছে পাঠানোর ঘটনাটি খুবই স্পর্শকাতর। তাই মিঠুকে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ প্রয়োজন। এ জন্য তাকে ব্যাটালিয়ন সদর দপ্তরে পাঠানো হয়েছে। তার ব্যাপারে কর্মকর্তাদের নির্দেশনা অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

মতিহার বার্তা ডট কম  ৩১ মার্চ ২০১৯

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *