শিরোনাম :
সাধারণ মানুষ সমাবেশ প্রত্যাখান করেছে, রাসিক মেয়র লিটন রাজশাহী নগরীর ঐতিহাসিক মাদ্রাসা মাঠে বিএনপির গণসমাবেশ শুরু কাজ হল না বিষেও! আসামির মৃত্যু নিশ্চিত করতে ভয়ঙ্কর পন্থা নিলেন জেল কর্তৃপক্ষ সঙ্গ পেতে মহিলাকে নিয়ে কলকাতার হোটেলে, প্রতিশ্রুতি মতো টাকা না দেওয়ায় ধৃত ৩ বাংলাদেশি প্রি-কোয়ার্টার ফাইনালে উঠে এখন লজ্জায় মুখ দেখাতে পারছেন না স্পেনের কোচ, কেন? বদলের ব্রাজিলে নজিরের মুখে দাঁড়িয়ে আলভেস, পেলেকে শুভেচ্ছা জানিয়ে নামছে সেলেকাওরা বিশ্বকাপে নেমারের খেলার সম্ভাবনা নিয়ে এ বার মুখ খুললেন তাঁর বাবা রাজশাহীতে আনোয়ার হোসেন উজ্জলের নেতৃত্বে হাজার হাজার মানুষের মিছিল অনুষ্ঠিত শীত উপেক্ষা করে খোলা মাঠে রাত কাটালো বিএনপির নেতাকর্মীরা রাজশাহীতে বিএনপির সমাবেশে যেতে পথে পথে বাধা
শকুন সংরক্ষণে কাজ করছে বাংলাদেশ

শকুন সংরক্ষণে কাজ করছে বাংলাদেশ

মতিহার বার্তা ডেস্ক : পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী মো. শাহাব উদ্দিন বলেছেন, বিলুপ্তপ্রায় সকল বন্যপ্রাণি সংরক্ষণে বর্তমান সরকার সবসময়ই সচেষ্ট। বিলুপ্তপ্রায় প্রাণিগুলোর মধ্যে শকুন অন্যতম। শকুন সংরক্ষণে সরকার দক্ষিণ এশিয়ার সকল দেশের সাথে একযোগে কাজ করছে।

বুধবার প্যান প্যাসেফিক সোনারগাঁও হোটেলে শকুন সংরক্ষণে দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির ছিলেন পরিবেশ উপমন্ত্রী হাবিবুন নাহার, পরিবেশ ও বন সচিব আবদুল্লাহ আল মোহসীন চৌধুরী। সভাপতিত্ব করেন পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ড. মো. বিল¬াল হোসেন, স্বাগত বক্তব্য রাখেন প্রধান বন সংরক্ষক মোহাম্মদ শফিউল আলম চৌধুরী। এ ছাড়া অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন আইইউসিএনের উপ-আঞ্চলিক পরিচালক ড. তেজপা সিং। সম্মেলনে বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল, পাকিস্তান ও কম্বোডিয়ার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

শকুন সংরক্ষণে বর্তমান সরকারের গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপ উল্লে¬খ করে বনমন্ত্রী বলেন, আমাদের সরকার শকুন সংরক্ষণে ইতোমধ্যে অনেক উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। শকুন সংরক্ষণের সকল আন্তর্জাতিক উদ্যোগ বাংলাদেশ সাফল্যের সঙ্গে বাস্তবায়ন করেছে। ২০১০ সালে শকুনের জন্য ক্ষতিকারক ওষুধ ডাইক্লোফেন নিষিদ্ধ করা হয়েছে। বাংলাদেশ বন বিভাগ শকুন সংরক্ষণে সিলেট ও সুন্দরবন এলাকায় দুটি নিরাপদ অঞ্চল ঘোষণা করেছে। ২০১৩ সালে মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে শকুন পুনরুদ্ধার কমিটি গঠন করা হয়েছে। একই সঙ্গে গঠন করা হয়েছে শকুন সংরক্ষণে দীর্ঘমেয়াদি অ্যাকশন প্ল¬্যান, যা বাংলাদেশে শকুন সংরক্ষণে একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ।

সম্মেলনের উদ্বোধনী পর্বে দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলে শকুনের সংখ্যা বৃদ্ধির জন্য আঞ্চলিক উদ্যোগগুলোর ওপর মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করে ক্যাম¤্রজি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. রাইস গ্রিন বলেন, ডাইক্লোফেনাক জাতীয় ওষুধ বন্ধ করার পর ওই জাতীয় আরও ওষুধ ইতোমধ্যে বাজারে এসেছে। এসব বিপণন ও পরিবহন বন্ধ করা প্রয়োজন। উপমন্ত্রী হাবিবুন নাহার বলেন, সরকার আন্তরিকভাবে বন বিভাগের মাধ্যমে শকুন সংরক্ষণে সকল উদ্যোগ ও পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে। পশুর শরীরে প্রয়োগকৃত যে সকল ওষুধ শকুনের জন্য ক্ষতিকারক সেগুলো নিষিদ্ধ করা হয়েছে। অসুস্থ শকুনকে চিকিৎসার মাধ্যমে সুস্থ করে তোলার কাজ একই সঙ্গে বন বিভাগের মাধ্যমে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

পরিবেশ ও বন সচিব আব্দুল্লাহ আল মোহসীন চৌধুরী বলেন, দক্ষিণ এশিয়া আঞ্চলিক স্টিয়ারিং কমিটির এই সভার মাধ্যমে এ অঞ্চলের শকুন সংরক্ষণে এক অভাবনীয় লক্ষ্য অর্জনে সম্ভব হবে। সুত্র: নয়া দিগন্ত

মতিহার বার্তা ডট কম ০৩ এপ্রিল ২০১৯

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *