প্রশ্নফাঁস রোধে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কড়া নজরদারিতে প্রশাসন

প্রশ্নফাঁস রোধে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কড়া নজরদারিতে প্রশাসন

মতিহার বার্তা ডেস্ক : পহেলা এপ্রিল থেকে সারা দেশে শুরু হয়েছে ২০১৯ সালের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা। এবার সারা দেশের দুই হাজার ৫৭৯টি কেন্দ্রে একযোগে চলছে এই পরীক্ষা। এবছর মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১৩ লাখ ৫১ হাজার ৫০৫ জন শিক্ষার্থী। গত দুই বছরের ধারাবাহিকতায় এবারও প্রশ্নপত্র ফাঁস ঠেকাতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ সর্বস্তরে কঠোর নজরদারি রয়েছে প্রশাসনের।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম- ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপসহ বিভিন্ন মাধ্যমে গ্রুপ ও পেজ খুলে প্রশ্নপত্র সরবরাহের প্রলোভন দেয়া মাত্রই তা আমলে নিয়ে এখন পর্যন্ত কয়েকজনকে আটকও করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। শিক্ষা মন্ত্রণালয় বলছে, প্রশ্নপত্র ফাঁস হওয়ার কোনো সুযোগ নেই। প্রশাসন সর্বস্তরে কড়া নজরদারি রাখছে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রশ্নপত্র ফাঁস সংক্রান্ত গুজব কিংবা এ কাজে তৎপর চক্রগুলোর কার্যক্রমের বিষয়ে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলো কঠোর নজরদারি রাখছে। প্রশ্নপত্র ফাঁস কিংবা পরীক্ষার্থীদের কাছে উত্তর সরবরাহে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইন-শৃঙখলা রক্ষাকারী বাহিনী ও জেলা প্রশাসন কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবে বলে জানানো হয়েছে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গুজব ছড়ানোর বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, গোয়েন্দা সংস্থা নজরদারি করছে। কেউ যদি কোনো অপকর্মের সঙ্গে জড়িত থাকে, প্রতারণা করে, গুজব ছড়ায় তাহলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একই সঙ্গে অভিভাবকদের কোনো রকম গুজবে কান না দেওয়ার আহ্বান জানান। কারও ফাঁদে পা দেবেন না, কারণ আমরা বিশ্বাস করি প্রশ্নপত্র ফাঁস হবে না। প্রশ্নপত্র ফাঁসমুক্তভাবেই পরীক্ষা হবে।

প্রশ্নফাঁসকারীদের তৎপরতা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা রয়েছেন স্বস্তিতে। পরীক্ষার আগে প্রশ্নফাঁসের কোনো আশঙ্কা ছাড়াই পরীক্ষার প্রস্তুতি নিয়ে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে চলেছে।

দেশের প্রথম নারী শিক্ষামন্ত্রী হিসেবে ডা. দীপু মনির শপথ নেওয়ার শুরুতেই বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে ছিলো মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁস ঠেকানো। বিশেষ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রশ্নফাঁসের গুজব বন্ধ করা। প্রধানমন্ত্রীর দিক নির্দেশনায় শিক্ষামন্ত্রী শুরুতেই সমস্যা চিহ্নিত করে এর মুলোৎপাটনেই নজর দিলেন। প্রযুক্তি বন্ধ করে সমাধানের পথে না হেঁটে প্রযুক্তি দিয়েই তিনি প্রযুক্তিকে মোকাবেলা করার উদ্যোগ গ্রহণ করেন। ফলশ্রুতিতে প্রথমে মাধ্যমিক এবং পরবর্তীতে চলমান উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষাতেও প্রশ্নফাঁস ছাড়াই সম্পন্ন হতে চলেছে। সূত্র: বাংলার আলো.কম

মতিহার বার্তা ডট কম ০৯ এপ্রিল ২০১৯

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *