শিরোনাম :
আরএমপি পুলিশের মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত চারঘাটে গাঁজা- সহ ২জন মাদক কারবারীকে গ্রেফতার রাজশাহী মহানগরীতে পুলিশের অভিযানে গ্রেফতার ১৯ রাজশাহী বোর্ডে এইচএসসি পরীক্ষায় বসছে এক লাখ ৩৮ হাজার ১৫৭ শিক্ষার্থী রাজশাহীতে জমেছে পশুহাট, লাখের নিচে মিলছে না কোরবানিযোগ্য গরু দ্রুত সময়ে কোরবানির বর্জ্য অপসারণ বিষয়ে রাসিকের সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত রোদে পোড়া কালচে ত্বক নিয়ে চিন্তায় পড়েছেন? ঘরোয়া টোটকা দিচ্ছেন প্রিয়ঙ্কা চোপড়া তেল বেশি গরম করলে কি খাদ্যগুণ চলে যায়? কী বলছেন পুষ্টিবিদ‌রা? বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচের আগে ধাক্কা পাকিস্তানে, চোটে বাদ অবসর ভেঙে ফেরা ক্রিকেটার সিঙ্গাপুর, হংকংয়ের পর এ বার ভারতের মশলা নিষিদ্ধ করল পড়শি ‘বন্ধু’ দেশ
বনলতা উদ্বোধন: বসার জায়গা না পেয়ে ফিরে গেলেন আ’লীগের দুই নেতা

বনলতা উদ্বোধন: বসার জায়গা না পেয়ে ফিরে গেলেন আ’লীগের দুই নেতা

নিজেস্ব প্রতিবেদক : আজ বৃহস্পতিবার সকালে রাজশাহী রেল স্টেশন চত্বরে বিরতিহীন আন্তঃনগর বনলতা এক্সপ্রেস ট্রেনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ পেয়েছিলেন আওয়ামী লীগের দুই নেতা।

তবে যথাসময়ে অনুষ্ঠানস্থলে গিয়েও বসার জায়গা না পেয়ে শেষপর্যন্ত তারা ফিরে যেতে বাধ্য হন। এই দুই নেতা হলেন- মহানগর আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক ডাবলু সরকার ও জেলা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান আসাদ। সঙ্গে তাদের বিপুলসংখ্যক অনুসারীও একে একে অনুষ্ঠানস্থল ত্যাগ করেন।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে মহানগর আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক ডাবলু সরকার বলেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই অনুষ্ঠানস্থলে পৌঁছাই। এসময় প্রথম, দ্বিতীয় লাইনসহ অনেক আসনেই অন্যরা বসে ছিলেন।

বসে ছিলেন চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীরাও। অথচ দীর্ঘ সময় দাঁড়িয়ে থেকেও বসার জায়গা পাইনি। শেষ পর্যন্ত চলে আসতে বাধ্য হই। তিনি আরো বলেন, জেলা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদকও বসার জায়গা পাননি। তাই তিনিও চলে যান। তবে এ ব্যাপারে আমার কোনো ক্ষোভ নেই।

রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান আসাদ নয়া দিগন্তকে বলেন, মহানগর সাধারণ সম্পাদক ডাবলু সরকার আর আমি কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে ছিলাম। কিন্তু বসার জায়গা না পেয়ে অনুষ্ঠানস্থল ত্যাগ করতে বাধ্য হই।

তিনি এ ব্যাপারে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তবে চলে আসার পর আয়োজকদের পক্ষ থেকে ডাকা হলেও তারা আর কেউই ফিরে যাননি বলেও জানান তিনি।

এদিকে, দুই আওয়ামী লীগ নেতা বসার জায়গা না পেয়ে অনুষ্ঠানস্থল ত্যাগের বিষয়টি জানতে চাইলে পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের মহাব্যবস্থাপক (জিএম) খন্দকার শহিদুল ইসলাম বলেন, এ বিষয়ে আমার জানা নেই।

আমি সরকারি কর্মকর্তা। আর অনুষ্ঠানে রাজনৈতিক নেতাদের কাকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল, বা কাকে আমন্ত্রণ জানানো হবে বা তাদের কোথায় বসার কথা সে বিষয়ে সিটি মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটনের ওপর দায়িত্ব ছিল। তিনি বলতে পারবেন।

মতিহার বার্তা ডট কম  ২৫ এপ্রিল  ২০১৯

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply