শিরোনাম :
আরএমপি পুলিশের মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত চারঘাটে গাঁজা- সহ ২জন মাদক কারবারীকে গ্রেফতার রাজশাহী মহানগরীতে পুলিশের অভিযানে গ্রেফতার ১৯ রাজশাহী বোর্ডে এইচএসসি পরীক্ষায় বসছে এক লাখ ৩৮ হাজার ১৫৭ শিক্ষার্থী রাজশাহীতে জমেছে পশুহাট, লাখের নিচে মিলছে না কোরবানিযোগ্য গরু দ্রুত সময়ে কোরবানির বর্জ্য অপসারণ বিষয়ে রাসিকের সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত রোদে পোড়া কালচে ত্বক নিয়ে চিন্তায় পড়েছেন? ঘরোয়া টোটকা দিচ্ছেন প্রিয়ঙ্কা চোপড়া তেল বেশি গরম করলে কি খাদ্যগুণ চলে যায়? কী বলছেন পুষ্টিবিদ‌রা? বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচের আগে ধাক্কা পাকিস্তানে, চোটে বাদ অবসর ভেঙে ফেরা ক্রিকেটার সিঙ্গাপুর, হংকংয়ের পর এ বার ভারতের মশলা নিষিদ্ধ করল পড়শি ‘বন্ধু’ দেশ
মোহনপুর উপজেলা নির্বাচনে গাবরু পরাজয়ের নেপথ্যে

মোহনপুর উপজেলা নির্বাচনে গাবরু পরাজয়ের নেপথ্যে

মোহনপুর উপজেলা নির্বাচনে গাবরু পরাজয়ের নেপথ্যে
মোহনপুর উপজেলা নির্বাচনে গাবরু পরাজয়ের নেপথ্যে

আলিফ হোসেন, তানোর প্রতিনিধি: রাজশাহীর মোহনপুর উপজেলা পরিষদ নির্বাচন তৃতীয় ধাপে অনুষ্ঠিত হয়েছে। উপজেলা নির্বাচনে  ঘাষিগ্রাম ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান  আফজাল হোসেন বকুল (আনারস) প্রতিকে ৩১ হাজার ১১৮ ভোট ও তার নিকটতম প্রতিদন্দী বাকশিমইল ইউপির  সাবেক চেয়ারম্যান আল-মোমিন শাহ্ গাবরু (কাপ-পিরিচ) প্রতিকে ২৬ হাজার ২৮৭ ভোট পেয়েছেন। ফলে ৪ হাজার ৮৩১ ভোট বেশী পেয়ে আফজাল হোসেন বকুল উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। স্থানীয়রা  বলছে, ভোটের মাঠে বিপুল অর্থ ছড়ানোর পরেও গাবরুর এমন পরাজয়ে রাজনৈতিক অঙ্গন এবং জনমনে মিশ্রপ্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে, বইছে মুখরোচক নানা গুঞ্জন। গাবরুর পরাজয়ে তার সমর্থকেরা অভিযোগের তীর  ছুড়েছে সাবেক এমপি আয়েন উদ্দিন ও উপজেলা চেয়ারম্যান এ্যাডঃ আব্দুস সালাম পরিবারের দিকে ? তাদের দুই  পরিবারের সমর্থন  গাবরুকে ডুবিয়েছে।

এছাড়াও গাবরুর মাদকাসক্তি নিয়েও এলাকার ভোটারদের মাঝে নেতিবাচক মনোভাবের সৃস্টি করেছে যার প্রভাব পড়েছে ভোটের মাঠে বলেও আলোচনা রয়েছে।

স্থানীয়রা বলছে, আয়েন উদ্দিন এমপি থাকা অবস্থায় তিনি নিজে কিছু না করলেও,তার নাম ভাঙিয়ে আব্দুস সালাম, আজহারুল ইসলাম বাবলু, ভুলু ও বিজয় সাধারণ মানুষের উপর যে অবিচার জুলুম-নির্যাতন করেছে মানুষ সেটা ভোলেনি। তার পর থেকেই এই অঞ্চলের মানুষের কাছে আয়েন-সালাম পরিবার বিঁষফোড়া হয়ে উঠেছে। এই পরিবার যার পক্ষ নিচ্ছে,উপজেলার সাধারণ মানুষ তার বিপক্ষে যাচ্ছে।আর আয়েন পরিবারের যদি জনপ্রিয়তাই থাকতো, তাহলে নির্বাচনে তারা আব্দুস সালামকে দাঁড় করাতো, অন্য কারো প্রার্থীর হবার কথা চিন্তা করাও যেতো না।

জানা গেছে, মোহনপুর উপজেলা নির্বাচনে  এই আসনের বর্তমান  সাংসদ  আসাদুজ্জামান আসাদ এবং সাবেক সাংসদ আয়েন উদ্দিন। স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনের  এই দুই হেভিওয়েট  নেতা তাদের পচ্ছন্দের দুই প্রার্থীকে সমর্থন জানিয়েছিলেন। ফলে এই নির্বাচন ছিল বর্তমান ও সাবেক এমপির প্রেস্টিজ ইস্যু বা মর্যাদার লড়াই। অনেকে বলছে,এ নির্বাচন ছিলো বর্তমান ও সাবেক এমপির অঘোষিত লড়াই। যেখানে বর্তমান এমপির কাছে সাবেক এমপির পরাজিত হয়েছে এবং এর মধ্যদিয়ে পবা-মোহনপুরের  রাজনীতিতে আয়েন যুগের সুর্যাস্ত হয়েছে বলে মনে করছে তৃণমুল।

সুত্রে জানা গেছে, মোহনপুর উপজেলায় মোট ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা ৪৫টি, মোট ভোট কক্ষের সংখ্যা ৩৪৬টি এবং ভোটার সংখ্যা ১ লাখ ৪৫ হাজার ৫৪৩ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার সংখ্যা ৭২ হাজার ৭০৪ জন এবং নারী ভোটার সংখ্যা রয়েছে ৭২ হাজার ৮৩৯ জন। উপজেলা নির্বাচনে মোট বৈধ ভোটের সংখ্যা ৬৯ হাজার ২৪৯টি, বাতিলকৃত ভোটের সংখ্যা ২ হাজার ৫৯৮টি, মোট প্রদত্ত ভোটের সংখ্যা: ৭১ হাজার ৮৪৭টি ও প্রদত্ত ভোটের শতকরা হার প্রায় ৪৯ দশমিক ৩৬ শতাংশ।

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply