শিরোনাম :
ধর্ষণে বাধা পেয়ে স্কুল ছাত্রীকে কোপাল তরুণ

ধর্ষণে বাধা পেয়ে স্কুল ছাত্রীকে কোপাল তরুণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ধর্ষণে বাধা পেয়ে স্কুল ছাত্রীকে ধারাল অস্ত্র দিয়ে কোপাল তরুণ। ঘটনায় অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে বর্ধমান থানার পুলিশ। বৃহস্পতিবার ধৃতকে বর্ধমান আদালতে পেশ করা হয়। ধৃতের নাম সোনু ত্যাগী। ধৃতকে ১২ জুন পর্যন্ত বিচার বিভাগীয় হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন বিচারক সুযশা মুখোপাধ্যাপায়।

পুলিশ জানিয়েছে, বর্ধমানের বাজেপ্রতাপপুরের মালিরবাগান এলাকায় বাড়ি ওই স্কুল ছাত্রীর। সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী। বয়স চোদ্দ। ওই ছাত্রীর মা পরিচারিকার কাজ করেন। বাবার সঙ্গে কোন যোগাযোগ নেই মা ও মেয়ের। এদিন সকালে ওই ছাত্রীর মা কাজে বেরিয়েছিলেন। বাড়িতে একাই ছিল সে। সকাল ৬ টা নাগাদ সোনু ঘরে ঢুকে ছাত্রীটিকে ধর্ষণের চেষ্টা করে। ছাত্রীটি প্রাণপণে বাধা দেয়। বাধা পেয়ে ছাত্রীর মাথায় নোড়া দিয়ে আঘাত করে সোনু। মাথা ফেটে যায় ছাত্রীর। রক্তাক্ত ও জখম হলেও সোনুকে ধরে রেখে চিৎকার শুরু করে সে।

নিজেকে মুক্ত করতে ধারাল অস্ত্র দিয়ে ছাত্রীকে কোপায় সোনু। জখম হয়ে সোনুকে ছেড়ে দেয় ওই ছাত্রী। চিৎকার শুনে স্থানীয় বাসিন্দা শেখ নাসিম ছুটে আসেন। পালাতে গেলে তাড়া করে তিনি সোনুকে ধরে ফেলেন। আশপাশের লোকজনও জড়ো হয়ে যায়। তাঁরা ধরে সোনুকে পুলিশের হাতে তুলে দেন। পরে ঘটনার কথা জানিয়ে নাসিম বর্ধমান থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। বর্ধমান থানার সাধনপুরের আলুডাঙায় বাড়ি সোনুর। স্থানীয় এক বাসিন্দা ধরে তাকে পুলিশের হাতে তুলে দেয়।

নাসিম জানিয়েছেন, সোনুকে ওই অবস্থায় দেখে সন্দেহ হয়। তাই, ওকে জাপটে ধরে রাখি। আশেপাশের লোকজন এলে তাদের হাতে সোনুকে তুলে দিই। ঘরের ভিতরে গিয়ে দেখি, রক্তাক্ত হয়ে অর্ধনগ্ন অবস্থায় পড়ে গোঙাচ্ছে ওই ছাত্রী।

মাথায় নোড়া দিয়ে আঘাত করা এবং ধারাল অস্ত্র দিয়ে কোপানোর অভিযোগে অভিযুক্ত সোনুকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। রক্তমাখা নোড়াটিও পুলিশ বাজেয়াপ্ত করেছে।

মতিহার বার্তা ডট কম  ৩১ মে ২০১৯

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply