শিরোনাম :
গোদাগাড়ীতে ১০লাখ টাকার হেরোইন-সহ ৩জন মাদক কারবারী গ্রেফতার নগরীর তালাইমারীতে গাঁজা কারকারী মল্লিক গ্রেফতার রাজশাহীতে প্রস্তাবিত বঙ্গবন্ধু রিভার সিটি নিয়ে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত রুয়েটকে স্মার্ট বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে রুপান্তর করতে হলে সকল ক্ষেত্রে সুশাসন প্রতিষ্ঠা করা জরুরী চিপস্ খাওয়ানোর প্রলোভন দেখিয়ে ৬ বছরের নাবালিকাকে ধর্ষণ চেষ্টা: আসামি নাইম গ্রেফতার এইচএসসি পরীক্ষা উপলক্ষ্যে আরএমপি’র নোটিশ জারি তানোরে ক্লুলেস হত্যা মামলার পলাতক আসামি ইকবাল গ্রেফতার কৃষিতে বির্পযয়ের আশঙ্কা তানোরে চোরাপথে আশা মানহীন সারে বাজার সয়লাব বাঘায় বাবুল হত্যা মামলায় চেয়ারম্যানসহ ৭ জনকে রিমান্ড শেষে কারাগারে প্রেরণ সিংড়ায় ক্যান্সারে আক্রান্ত ২২ ব্যক্তির মাঝে চেক বিতরণ
ওসি প্রদীপ প্রতারণার মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় পুরস্কার হাতিয়ে নিয়েছে

ওসি প্রদীপ প্রতারণার মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় পুরস্কার হাতিয়ে নিয়েছে

ওসি প্রদীপ প্রতারণার মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় পুরস্কার হাতিয়ে নিয়েছে
ওসি প্রদীপ প্রতারণার মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় পুরস্কার হাতিয়ে নিয়েছে

অনলাইন ডেস্ক: মেজর (অব.) সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান হত্যা মামলার যুক্তিতর্কের প্রথমদিন শেষ হয়েছে। রবিবার সকাল সোয়া ১০টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত চলে মামলাটির যুক্তিতর্ক চলে।

আদালত থেকে বেরিয়ে সন্ধ্যায় রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী পিপি এডভোকেট ফরিদুল আলম জানান, “মেজর সিনহা হত্যা মামলার অভিযুক্ত আসামী টেকনাফ থানার সাবেক ওসি প্রদীপ তথ্য গোপন করে সম্পূর্ণ প্রতারণার মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় পুরুস্কার হাতিয়ে নিয়েছে।”

ফরিদুল আলম আরও জানান, “কোন পুলিশ কর্মকর্তা পুলিশের সর্বোচ্চ পদক ‘বিপিএম, পিপিএম’ পেতে হলে ওই কর্মকর্তার নিম্ন থেকে চাকরিতে অবস্থান থাকাকালীন সময় পর্যন্ত বিভিন্ন অপরাধ ও দুর্নীতি নিয়ে সর্বোচ্চ তদন্ত করতে হয়। কিন্তু, ওসি প্রদীপ টেকনাফ থানায় এসআই থাকাকালীন সময়ে একটি মামলায় ২০০১ সালে দোষী সাব্যস্ত হয়। তেমনিভাবে মহেশখালীতে একটি হত্যা ও চট্টগ্রামে বিভিন্ন অপরাধে মামলার আসামী ছিল। কিন্তু, সেই তথ্য গোপন করে রাষ্ট্রের সাথে প্রতারণা করেছেন। এজন্য আমি হুজুর আদালতে সাবেক ওসি প্রদীপের কাগজ পত্রাদি যাচাই-বাছায় করে যাবতীয় রাষ্ট্রীয় পুরস্কার ও পদক বাতিলের জন্য মৌখিকভাবে আবেদন করেছি।

মামলার যুক্তিতর্কের প্রথমদিন শেষে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী পিপি এডভোকেট ফরিদুল আলম আরো জানান,”থানার জিডি প্রমাণ করে সিনহা হত্যাকান্ডে প্রদীপরা জড়িত”। কারণ, কোন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কোন অপারেশনে বের হওয়ার সময় থানায় যে জিডি করতে হয়, ঘটনার দিন করা ৬৭৭নং জিডিতে হত্যাকান্ডে তার উপস্থিতি প্রমাণ করে। সুতরাং ওসি প্রদীপ ও লিয়াকত গংরা মেজর সিনহাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করেছে।

অপরদিকে আসামী পক্ষের আইনজীবী রানা দাশ গুপ্ত জানান, রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা তিনজন সাক্ষী ও আসামীদের জেরা ও সাক্ষ্য প্রমাণে সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণ করতে ব্যর্থ হয়েছেন।”

উল্লেখ্য, গত বছর ৩১ জুলাই রাতে কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সড়কের টেকনাফ উপজেলার বাহারছড়া ইউনিয়নের শামলাপুর চেকপোস্টে পুলিশের গুলিতে নিহত হন সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান।

মতিহার বার্তা / ইএবি

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply