শিরোনাম :
গোদাগাড়ীতে ১০লাখ টাকার হেরোইন-সহ ৩জন মাদক কারবারী গ্রেফতার নগরীর তালাইমারীতে গাঁজা কারকারী মল্লিক গ্রেফতার রাজশাহীতে প্রস্তাবিত বঙ্গবন্ধু রিভার সিটি নিয়ে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত রুয়েটকে স্মার্ট বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে রুপান্তর করতে হলে সকল ক্ষেত্রে সুশাসন প্রতিষ্ঠা করা জরুরী চিপস্ খাওয়ানোর প্রলোভন দেখিয়ে ৬ বছরের নাবালিকাকে ধর্ষণ চেষ্টা: আসামি নাইম গ্রেফতার এইচএসসি পরীক্ষা উপলক্ষ্যে আরএমপি’র নোটিশ জারি তানোরে ক্লুলেস হত্যা মামলার পলাতক আসামি ইকবাল গ্রেফতার কৃষিতে বির্পযয়ের আশঙ্কা তানোরে চোরাপথে আশা মানহীন সারে বাজার সয়লাব বাঘায় বাবুল হত্যা মামলায় চেয়ারম্যানসহ ৭ জনকে রিমান্ড শেষে কারাগারে প্রেরণ সিংড়ায় ক্যান্সারে আক্রান্ত ২২ ব্যক্তির মাঝে চেক বিতরণ
রাজশাহী মহানগরীতে দুদক কর্মকর্তা পরিচয়ে ৩লাখ টাকা প্রতারণা!

রাজশাহী মহানগরীতে দুদক কর্মকর্তা পরিচয়ে ৩লাখ টাকা প্রতারণা!

রাজশাহী মহানগরীতে দুদক কর্মকর্তা পরিচয়ে ৩লাখ টাকা প্রতারণা!
রাজশাহী মহানগরীতে দুদক কর্মকর্তা পরিচয়ে ৩লাখ টাকা প্রতারণা!

স্টাফ রিপোর্টার: রাজশাহী মহানগরীতে দুদক কর্মকর্তা পরিচয়ে নগদ ৩লাখ টাকা প্রতরণার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ নিয়ে ভুক্তভোগী তার আপনজন ও বন্ধুদের সাথে বিষয়টি নিয়ে প্রতিকারের জন্য দারস্থ হচ্ছেন।

ভুক্তভোগী জানান, তার ছেলে একটি মামলায় ফেঁসে আছেন। তাকে উদ্ধারের লক্ষে (ছদ্দ নাম) কদু নামের এক ব্যক্তির সাথে পরিচয় হয়। সে বলে দুদক কর্মকর্তার সাথে আমার সম্পর্ক আছে আমি চার্জসিট করিয়ে দেবো। এছাড়াও নিজেকে রাজশাহী অনেক নামি, দামি ক্ষমতাবান ব্যক্তি বলেও তুলে ধরেন তার কাছে। পরে এক ব্যক্তিকে দুদক কর্মকর্তা সাজিয়ে আমার বাসায় আসলে আমি কদুর কথায় সরল বিশ্বাসে তাকে ৩লাখ প্রদান করি। কিন্তু আমার জানা ছিলো না কদু একজন সুপার চিট। বর্তমানে ওই কদু ভুক্তভোগির সাথে যোগাযোগ বন্ধ করে দিয়েছেন। শিঘ্রই ওই সুপুর চিটের নাম প্রকাশ করবেন বলেও জানান বলেও জানান ভুক্তভোগী।

এ ব্যপারে ভুক্তভোগীর ভাতিজা জানান, দুদকের মতো একটি সরকারী প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তার পরিচয় দিয়ে টাকা প্রতারণা করা একটি জঘণ্য অপরাধ। দুদক সহ রাজশাহীতে অবস্থিত প্রশাসনের সকল উর্দ্ধতন কর্তা ব্যক্তিদের এই ধরনের প্রতারকের আইনের আওতায় আনার দাবি জানান তিনি।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয় একাধিক লোকেরা জানান, রাজশাহী মহানগরীতে মানুষের বিপদ দেখলেই এক শ্রেণীর প্রতারক চক্র প্রতিকারের কথা বলে হাতাচ্ছেন লাখ লাখ টাকা।  কখনো ভাঙ্গাচ্ছেন প্রশাসনকে। আবার কখনো নিজেকে ক্ষমতাবান দামি লোক হিসেবে গল্পে তুলে ধরছেন। কিন্তু টাকা হাতে পেলেই চম্পট দিচ্ছেন। পরে টাকা চাইলে খারাপ আচারণ করা হচ্ছে ভুক্তভোগীদের সাথে। এদের ব্যবস্থা হওয়া উচিৎ বলেও জানান তারা।

মতিহার বার্তা / ইএবি

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply