শিরোনাম :
গোদাগাড়ীতে ১০লাখ টাকার হেরোইন-সহ ৩জন মাদক কারবারী গ্রেফতার নগরীর তালাইমারীতে গাঁজা কারকারী মল্লিক গ্রেফতার রাজশাহীতে প্রস্তাবিত বঙ্গবন্ধু রিভার সিটি নিয়ে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত রুয়েটকে স্মার্ট বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে রুপান্তর করতে হলে সকল ক্ষেত্রে সুশাসন প্রতিষ্ঠা করা জরুরী চিপস্ খাওয়ানোর প্রলোভন দেখিয়ে ৬ বছরের নাবালিকাকে ধর্ষণ চেষ্টা: আসামি নাইম গ্রেফতার এইচএসসি পরীক্ষা উপলক্ষ্যে আরএমপি’র নোটিশ জারি তানোরে ক্লুলেস হত্যা মামলার পলাতক আসামি ইকবাল গ্রেফতার কৃষিতে বির্পযয়ের আশঙ্কা তানোরে চোরাপথে আশা মানহীন সারে বাজার সয়লাব বাঘায় বাবুল হত্যা মামলায় চেয়ারম্যানসহ ৭ জনকে রিমান্ড শেষে কারাগারে প্রেরণ সিংড়ায় ক্যান্সারে আক্রান্ত ২২ ব্যক্তির মাঝে চেক বিতরণ
রাজশাহীতে কিস্তি দিতে না পারায় নারীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ

রাজশাহীতে কিস্তি দিতে না পারায় নারীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ

রাজশাহীতে কিস্তি দিতে না পারায় নারীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ
রাজশাহীতে কিস্তি দিতে না পারায় নারীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ

অনলাইন ডেস্ক: রাজশাহীর পুঠিয়ায় সময়মতো এনজিওর ঋণ পরিশোধ করতে না পারায় এক নারীকে ধর্ষণের চেষ্টা করেছেন কর্মকর্তা। এ ঘটনায় ওই নারী এনজিও কর্মকর্তার নামে থানায় অভিযোগ দিয়েছেন।

এদিকে অভিযোগ তদন্তপূর্বক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানিয়েছেন থানার ওসি সোহরাওয়ার্দী হোসেন।

শুক্রবার রাত ১০টার দিকে উপজেলা পৌর সদরের ৫নং ওয়ার্ডে এ ঘটনা ঘটে। পরেরদিন সকালে ভুক্তভোগী ওই নারী থানায় লিখিত অভিযোগ দেন।

অপরদিকে ধর্ষণের চেষ্টাকারী একটি এনজিওর পুঠিয়া উপজেলা শাখা কর্মকর্তা কামেল উদ্দীন (৪৫)।

ভুক্তভোগী ওই নারী বলেন, তিনি গত বছর ওই এনজিও থেকে একটা ঋণ নেই। তবে করোনাভাইরাসের প্রভাবের কারণে পরিবারে আয়ের চেয়ে ব্যয় বেড়ে যায়। ফলে সময়মতো ঋণের কিস্তি পরিশোধ করতে ব্যর্থ হই।

তিনি বলেন, শুক্রবার রাত ১০টার দিকে ঋণ আদায়ের বিষয়ে আলোচনা আছে বলে ওই কর্মকর্তা আমাদের বাড়িতে আসেন। আর আমার স্বামী একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে সেলসম্যানের চাকরি করেন। সে কারণে রাতে তার বাড়িতে আসতে একটু দেরি হয়। আর এ সুযোগে ওই এনজিও কর্মকর্তা প্রথমে আমাকে কুপ্রস্তাব দেন। তার প্রস্তাবে রাজি না হলে সে আমাকে জোরপূর্বক ধর্ষণের চেষ্টা করে। এ সময় আমি চিৎকার শুরু করলে সে পালিয়ে যায়। পরদিন ওই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে থানায় একটি অভিযোগ দেওয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে শাখা কর্মকর্তা কামেল উদ্দীন ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ঋণ নিয়ে ওই নারী দীর্ঘদিন থেকে কিস্তি পরিশোধ করেনি। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনায় শুক্রবার বিকালে আমিসহ অফিসের কয়েকজন স্টাফ বকেয়া ঋণ আদায়ে ওই নারী সদস্যর বাড়িতে যাই। ওই সময় ওই নারী আমাদের ঋণের কিস্তি না দিয়ে অপমান করে তাড়িয়ে দেন। এখন শুনছি আমার নামে থানায় অভিযোগ দেওয়া হয়েছে।

এ ব্যাপারে পুঠিয়া থানার ওসি সোহরাওয়ার্দী হোসেন অভিযোগ পাওয়ার বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ঘটনার তদন্ত চলছে। তদন্ত শেষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মতিহার বার্তা / ইএবি

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply