কীভাবে বয়স লুকিয়ে রাখেন, সেলিব্রিটিরা, তথ্য ফাঁস

কীভাবে বয়স লুকিয়ে রাখেন, সেলিব্রিটিরা, তথ্য ফাঁস

বয়স পঞ্চাশের কাছাকাছি সকলেরই। অথচ চেহারার বয়স যেন দিন দিন কমছে। কাউকে এখনও টিনএজারের মতো দেখতে। আবার কাউকে দেখলে মনে হয় যেন নিজের মেয়ের বয়সি! কী করে বার্ধক্য আটকে রাখেন এই সেলেবরা?

সিন্ডি ক্রফোর্ড
প্রায় ৩০ বছর ধরে যেন একই চেহারা ধরে রেখেছেন এই প্রাক্তন সুপারমডেল, দুই সন্তানের মা সিন্ডি ক্রফোর্ড। তবে তাঁর রূপ-রহস্য জিগ্যেস করলে তিনি বলেন, ‘‘দ্য সিক্রেট ইজ, দেয়ার ইজ নো সিক্রেট’’। যেগুলো সবাই জানে, সেই নিয়মগুলো মেনে চললেই হয়। যেমন জল বেশি খাওয়া, ধূমপান না করা, পর্যাপ্ত পরিমাণে ঘুম, খোশমেজাজ ইত্যাদি। তবে নিজের তৈরি প্রডাক্ট লাইনের বিউটি প্রডাক্ট ব্যবহার করেন সিন্ডি। সকালে উঠেই সুপারফুড স্মুদি খান আর চাইনিজ মেডিসিনের উপর ভরসা রাখেন। তবে তিনি এ-ও বলেছেন, কম সময়ের মধ্যে এই নিয়মগুলো কাজে দেবে না। ৩০ বছর বয়স থেকে ত্বকের যত্ন নেওয়া শুরু করলে তাঁর ফল পঞ্চাশের পর পাওয়া যাবে। তাই ধৈর্য হারালে চলবে না।

জেনিফার অ্যানিস্টন
চেহারার পিছনে সবচেয়ে বেশি খরচ করেন যে সেলেবরা, তাঁদের মধ্যে অন্যতম জেনিফার অ্যানিস্টন। অনেকেই মনে করেন, আগের তুলনায় তাঁর ত্বক এখন অনেক বেশি গ্লো করে। নানা রকম লেজার ট্রিটমেন্ট, ফেশিয়াল, বিউটি ট্রিটমেন্ট করাতেই থাকেন তিনি। যোগ ব্যায়াম, এক্সারসাইজ আর ডায়েটের মধ্যে থাকেন সব সময়। তবে বয়স ধরে রাখতে কোনওদিন অস্ত্রোপচার যে করবেন না তা সাফ জানিয়ে দিয়েছেন প্রাক্তন ‘ফ্রেন্ডস’ তারকা জেনিফার। তিনি নাকি তাঁর অনেক কাছের বান্ধবীদের ভুল থেকে শিক্ষা নিয়েছেন। তাই অস্ত্রোপচার করলে যে আখেরে ত্বকের ক্ষতিই বেশি হয়, তা জেনে গিয়েছেন এর মধ্যে।

হ্যালি বেরি
হাজার হাজার টাকা খরচ করে হাই-এন্ড বিউটি প্রডাক্ট কেনার পক্ষপাতী নন হ্যালি বেরি। তার চেয়ে পেশাদারদের সাহায্য নেওয়াই পছন্দ করেন। তাই সারা বছর তিনি ক্লিনজিং-টোনিং-ময়েশ্চারাইজিং করেন। কিন্তু বছরে অন্তত চার বার তাঁর প্রিয় বিউটি ক্লিনিকে গিয়ে যাবতীয় ট্রিটমেন্ট করিয়ে নেন। সারাদিন প্রচুন পরিমাণে জল খান। আর ডায়েটে চিনি একেবারেই রাখেন না। ‘ক্যাটওম্যান’এর মতে, সুগার ত্বকের জন্য বিষ। ওয়ার্কআউট রেজিমে অল্প কার্ডিও আর ওয়েট ট্রেনিং রাখেন নিয়মিত।

জেনিফার লোপেজ
তাঁর বয়স যেন দিন দিন কমছে। তার একটা বড় কারণ অবশ্য জেনিফার লোপেজের ঈর্ষণীয় ফিগার। জেনিফার জানিয়েছেন, ওয়ার্কআউটই তাঁর সবচেয়ে বড় প্রায়োরিটি। তাছাড়া কঠিন ডায়েটের মধ্যে থাকেন জে লো। নিজের তৈরি হেল্থ ফুড আর সাপ্লিমেন্টসের উপর ভরসা করেন। ত্বকের জন্য নাকি আর পাঁচজনের মতোই সামান্য ময়েশ্চারাইজিং ক্রিম ব্যবহার করেন। তবে ঘুমোতে যাওয়ার আগে নিয়ম করে মেকআপ তুলে ফেলেন রোজ।

রিজ উইদারস্পুন
অনেক ইভেন্ট মেয়েকে নিয়ে যান রিজ উইদারস্পুন। পাশাপাশি দাঁড়ালে তাঁকে তাঁর টিনএজার মেয়ের মতোই দেখতে লাগে! ‘লিগালি ব্লন্ড’এর অভিনেত্রীর যেন বয়স বাড়েই না। এর জন্য নিয়মিত এক্সারসাইজ করেন আর স্বাস্থ্যকর ডায়েট মেনে চলেন রিজ। তাঁর বিউটি রেজিমও খুব একটা জটিল না। একসঙ্গে অনেক প্রডাক্ট ব্যবহার না করে শুধু শ্যানেলের হাইড্রেটিং ময়েশ্চারাইজার নিয়মিত ব্যবহার করেন তিনি।

মতিহার বার্তা ডট কম  – ১৪ জানুয়ারি, ২০১৯

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *