শিরোনাম :
সাধারণ মানুষ সমাবেশ প্রত্যাখান করেছে, রাসিক মেয়র লিটন রাজশাহী নগরীর ঐতিহাসিক মাদ্রাসা মাঠে বিএনপির গণসমাবেশ শুরু কাজ হল না বিষেও! আসামির মৃত্যু নিশ্চিত করতে ভয়ঙ্কর পন্থা নিলেন জেল কর্তৃপক্ষ সঙ্গ পেতে মহিলাকে নিয়ে কলকাতার হোটেলে, প্রতিশ্রুতি মতো টাকা না দেওয়ায় ধৃত ৩ বাংলাদেশি প্রি-কোয়ার্টার ফাইনালে উঠে এখন লজ্জায় মুখ দেখাতে পারছেন না স্পেনের কোচ, কেন? বদলের ব্রাজিলে নজিরের মুখে দাঁড়িয়ে আলভেস, পেলেকে শুভেচ্ছা জানিয়ে নামছে সেলেকাওরা বিশ্বকাপে নেমারের খেলার সম্ভাবনা নিয়ে এ বার মুখ খুললেন তাঁর বাবা রাজশাহীতে আনোয়ার হোসেন উজ্জলের নেতৃত্বে হাজার হাজার মানুষের মিছিল অনুষ্ঠিত শীত উপেক্ষা করে খোলা মাঠে রাত কাটালো বিএনপির নেতাকর্মীরা রাজশাহীতে বিএনপির সমাবেশে যেতে পথে পথে বাধা
পয়লা বৈশাখে বিএনপির বিক্ষোভ কর্মসূচি, শঙ্কিত বোদ্ধা মহল

পয়লা বৈশাখে বিএনপির বিক্ষোভ কর্মসূচি, শঙ্কিত বোদ্ধা মহল

নিউজ ডেস্ক: আসন্ন পয়লা বৈশাখে (১৪ এপ্রিল) বিক্ষোভ কর্মসূচির ডাক দিয়েছে বিএনপি। এদিকে জাতীয় একটি উৎসবের দিন বিএনপির এমন কর্মসূচি নিয়ে জনমনে শঙ্কা সৃষ্টি হয়েছে। বিভিন্ন দায়িত্বশীল সূত্রের বরাতে অভিযোগের সত্যতা সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া গেছে।

সূত্র বলছে, দেশের বিভিন্ন উৎসবকে ঘিরে বিএনপির তাণ্ডব ও গোলযোগ রাজনৈতিক মহলে স্বীকৃতি সত্য। যদিও বিগত কয়েক বছর তারা বিভিন্ন ইস্যুকে কেন্দ্র করে সরব হওয়ার চেষ্টা করেছে কিন্তু সাধারণ মানুষ তাদের প্রতিহত করেছে। তবু তারা যেকোনো সময় পুরনো রূপে ফিরতে পারে- এই আশঙ্কা ফেলে দেয়ার মতো নয়। তাই পয়লা বৈশাখের মতো একটি সার্বজনীন উৎসবের দিনে বিক্ষোভের সিদ্ধান্তকে সহজ চোখে দেখতে পারছেন না রাজনীতি সচেতন সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা।

বিএনপির নয়াপল্টন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ১৪ এপ্রিল আনন্দ উদযাপনের পরিবর্তে প্রতিবাদ সমাবেশ করবে বিএনপি। কারাবন্দী দলীয় চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে বাংলা নববর্ষের দিন বিক্ষোভ করবে তারা। বিক্ষোভ রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনেও অনুষ্ঠিত হবে।

তথ্যসূত্র বলছে, ২০০১ সালে বিএনপি-জামায়াত সরকার ক্ষমতায় থাকাকালীন সময়ে ইতিহাসের বর্বরোচিত হামলা হয় রমনার বটমূলে। পয়লা বৈশাখে অনুষ্ঠানে ওই গ্রেনেড হামলায় ১০ জন সাধারণ মানুষ নিহত হওয়ার পাশাপাশি বহু মানুষ আহত হয়। আহতদের অনেকেই পঙ্গুত্ব বরণ করেছেন। মামলার তদন্ত থেকে জানা যায়, হামলার মধ্য দিয়ে জঙ্গি সংগঠন হরকাতুল জিহাদ বাংলাদেশ (হুজিবি বা হুজি) তাদের শক্ত অবস্থানের জানান দেয়৷ আর এই হামলার পৃষ্ঠপোষকতা করে তৎকালীন সরকার। ফলে পয়লা বৈশাখে নতুন করে বিক্ষোভ কর্মসূচির ঘোষণা আতঙ্ক তৈরি করবে- এটাই স্বাভাবিক।

এদিকে পয়লা বৈশাখে বিএনপির এমন গণ বিচ্ছিন্ন কর্মসূচির কঠোর সমালোচনা করে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন রাজনৈতিক বিশ্লেষক বলেন, বিএনপি-জামায়াত সরকারের আমলে রমনা বটমূলে যে বর্বরোচিত হামলা হয়েছিলো, তা এখনও ভুলতে পারেনি জাতি। প্রতিটি বর্ষবরণে মানুষ উৎসবে অংশগ্রহণ করলেও বিএনপি-জামায়াতের অতীত অপকর্ম নিয়েও চিন্তিত হয়ে পড়ে।

তিনি আরো বলেন, জাতীয় উৎসবে বিক্ষোভ কর্মসূচির ঘোষণা করে মানুষের মনে আতঙ্ক সৃষ্টি করতে চাইছে বিএনপি, যা অত্যন্ত ন্যক্কারজনক ঘটনা। শুধু সাধারণ মানুষই নয়, এ আতঙ্ক দেশব্যাপী ছড়িয়ে পড়াই স্বাভাবিক। কেননা, অতীতে জনগণের জান-মাল নিয়ে রাজনীতি করার রেকর্ড বিএনপির আছে। সেহেতু আশঙ্কাটি একেবারেই উড়িয়ে দেয়া যায় না।

এদিকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বলছেন, বিএনপির পক্ষ থেকে পয়লা বৈশাখে যে বিক্ষোভের ডাক দেয়া হয়েছে তা সাধারণ কর্মসূচি হিসেবেই নিয়েছি আমরা। তবে এ নিয়ে কড়া নজরদারি রাখা হবে। যেন চাইলেও কেউ কোনোভাবে কোনো বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে না পারে। পয়লা বৈশাখের অনুষ্ঠানকে নির্বিঘ্ন করতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে বাহিনীর সদস্যরা এরই মধ্যে মাঠ পর্যায়ে কাজ করে যাচ্ছে। যেকোনো মূল্যে অপৎতপরতার চেষ্টা রুখে দেয়া হবে। বাংলা নিউজ ব্যাংক

রাজশাহীর সময় ডট কম১২ এপ্রিল ২০১৯

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *