শিরোনাম :
গোদাগাড়ীতে ১০লাখ টাকার হেরোইন-সহ ৩জন মাদক কারবারী গ্রেফতার নগরীর তালাইমারীতে গাঁজা কারকারী মল্লিক গ্রেফতার রাজশাহীতে প্রস্তাবিত বঙ্গবন্ধু রিভার সিটি নিয়ে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত রুয়েটকে স্মার্ট বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে রুপান্তর করতে হলে সকল ক্ষেত্রে সুশাসন প্রতিষ্ঠা করা জরুরী চিপস্ খাওয়ানোর প্রলোভন দেখিয়ে ৬ বছরের নাবালিকাকে ধর্ষণ চেষ্টা: আসামি নাইম গ্রেফতার এইচএসসি পরীক্ষা উপলক্ষ্যে আরএমপি’র নোটিশ জারি তানোরে ক্লুলেস হত্যা মামলার পলাতক আসামি ইকবাল গ্রেফতার কৃষিতে বির্পযয়ের আশঙ্কা তানোরে চোরাপথে আশা মানহীন সারে বাজার সয়লাব বাঘায় বাবুল হত্যা মামলায় চেয়ারম্যানসহ ৭ জনকে রিমান্ড শেষে কারাগারে প্রেরণ সিংড়ায় ক্যান্সারে আক্রান্ত ২২ ব্যক্তির মাঝে চেক বিতরণ
কঠোর আন্দোলনের অপেক্ষায় গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, হাস্যকর বলছেন বিশ্লেষকরা

কঠোর আন্দোলনের অপেক্ষায় গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, হাস্যকর বলছেন বিশ্লেষকরা

মতিহার বার্তা ডেস্ক : বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের ‘দলীয় আন্দোলন সংক্রান্ত’ বক্তব্য নিয়ে রাজনীতিতে চলছে কঠোর সমালোচনা। তার বক্তব্যকে হাস্যরসের সঙ্গে তুলনা করে বিভিন্ন মহলে চলছে নানা গুঞ্জন। শুক্রবার (৩ মে) একটি আলোচনা সভায় গয়েশ্বর চন্দ্র দাবি করেন, বিএনপি আন্দোলন করার জন্য প্রস্তুত রয়েছে। যথা সময়ে সঠিক নির্দেশনা পেলেই দেশবাসীকে নিয়ে কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে। কারণ বিএনপি জনগণের দল।

এদিকে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা গয়েশ্বরের বক্তব্যকে রাজনৈতিক হাস্যরসের খোরাক বলে মনে করছেন। তাদের মতে, বিএনপি আন্দোলনের দিন-তারিখ কোনদিনই নির্ধারণ করতে পারবে না। কারণ, বিএনপি ঐক্যবদ্ধ ও সুসংগঠিত নয়। দলে সমন্বয়হীনতারও অভাব রয়েছে। আর জনগণ বিএনপিকে ভরসা করে অতীতে যে ভুল করেছে, সেই ভুলের পুনরাবৃত্তি করবে না বলেও দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছে তারা। রাজনৈতিক মহলের দুজন ব্যক্তির সঙ্গে আলাপকালে বিএনপির আন্দোলনের সম্ভাবনা ও হতাশার বিষয় উঠে আসে।

গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের বক্তব্যের কঠোর সমালোচনা করে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক রাজনৈতিক বিশ্লেষক বলেন, আন্দোলনের নামে বিএনপি প্রতিবার দলটির নেতাকর্মীদের সঙ্গে প্রতারণা করে। গত দশ বছর ধরে আন্দোলনের নামে স্বপ্ন দেখছে বিএনপি। দেশবাসী ও দলটির নেতাকর্মীরা রাজনৈতিক বাস্তবতা অনুধাবন করে দেশকে আর পিছিয়ে দিতে রাজি নন। তাই তাদের আন্দোলন আর গড়ে ওঠে না। ঈদ যায় ঈদ আসে, বিএনপির আন্দোলন জমে না।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক এই শিক্ষক বলেন, রাজনৈতিক ফাঁকিবাজিতে আটকে গেছে বিএনপির আন্দোলন কর্মসূচি। দাবি যৌক্তিক হলে আন্দোলনে কর্মীদের অভাব হবে না। আসলে দলের আসল রূপ দেখতে পেরে বিএনপির নেতাকর্মীরা সটকে পড়ছেন। যে দলের ভেতর একতা নেই, সেই দল কোনদিনই আন্দোলন গড়ে তুলতে পারবে না।

বিষয়টিকে ভিন্নভাবে ব্যাখ্যা করে গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, আন্দোলন তো দিন তারিখ ঠিক করে হয় না। আমরা কিন্তু আন্দোলনের মধ্যেই আছি। সাময়িক বিপত্তির কারণে আন্দোলন গড়ে তোলা যাচ্ছে না, এটি সত্য। তবে চিরকাল তো বিএনপি এমন থাকবে না। সময়ের প্রয়োজনেই বিএনপি ঘুরে দাঁড়াবে। তখন আর পালানোর পথ খুঁজে পাবে না বিরোধীরা।

তিনি আরো বলেন, ভালো কিছুর জন্য অপেক্ষা করতে হবে। অপেক্ষাটাও আন্দোলনের বাইরে নয়। তবে যারা বিপদের দিনে লাভের আশায় বিএনপি ছেড়ে অন্য দলে যাচ্ছেন, তাদের কোনদিন ভালো হবে না। বিপদসংকুল সময়ে বিএনপির একতা ধরে রাখাটাই বড় চ্যালেঞ্জ।সূত্র: বাংলা নিউজ ব্যাংক

মতিহার বার্তা ডট কম – ০৫ মে, ২০১৯

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply